📅 ৩১ আগস্ট ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

অগ্রণী ব্যাংকের লকার থেকে প্রবাসী নারীর স্বর্ণালংকার উধাও, অভিযোগ অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে

অগ্রণী ব্যাংকের লকার থেকে প্রবাসী নারীর স্বর্ণালংকার উধাও, অভিযোগ অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকার অগ্রণী ব্যাংকের রমনা করপোরেট শাখা থেকে প্রবাসী এক নারীর স্বর্ণালংকার ও টাকা উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অসাধু কর্মকর্তা ও তার বোনের যোগসাজশে লকার থেকে স্বর্ণালংকার তুলে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্তের ঘোষণা দিয়েছে

ঢাকা: অগ্রণী ব্যাংকের রমনা করপোরেট শাখার লকার থেকে প্রায় তিন কোটি টাকার স্বর্ণালংকার উধাও হওয়ার অভিযোগ করেছেন প্রবাসী এক নারী। অসাধু ব্যাংক কর্মকর্তা ও তার বোনের যোগসাজশে লকার থেকে স্বর্ণালংকার তুলে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের কমন সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্টে জমা দেওয়া অভিযোগপত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 অগ্রণী ব্যাংকের রমনা করপোরেট শাখার লকার নম্বর ৪০৯ থেকে প্রায় তিন কোটি টাকার স্বর্ণালংকার উধাও
  • 📌 অভিযোগ করেছেন প্রবাসী নারী ফারজানা রহমান লিমা; তার স্বর্ণালংকারের আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা ও মায়ের স্বর্ণালংকারের মূল্য ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা
  • 📌 ফারজানার মা হোস্নে জাহান ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই মারা যান; বিদেশে থাকায় তিনি দেশে ফেরেন ২০২৬ সালের ১২ আগস্ট
  • 📌 ফারজানার অভিযোগ, তার বোন ফারহানা রহমান জাল সই ও মিথ্যা ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে লকার থেকে স্বর্ণালংকার তুলে নিয়েছেন
  • 📌 ফারজানার অভিযোগ, তার নামে থাকা দুটি চেক জালিয়াতির মাধ্যমে উত্তোলন করা হয়েছে ৬৮ হাজার ৫০০ টাকা
  • 📌 অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার কথা জানিয়েছেন

📰 বিস্তারিত

ফারজানা রহমান লিমা ও তার স্বামী ২০১৯ সালের ১৫ জুন কানাডায় পাড়ি জমান। বিদেশ যাওয়ার আগে তিনি অগ্রণী ব্যাংকের রমনা করপোরেট শাখায় মায়ের লকার নম্বর ৪০৯-এ নিজের স্বর্ণালংকার রাখেন। ওই লকারে তার মায়ের স্বর্ণালংকারও ছিল। ফারজানার স্বর্ণালংকারের আনুমানিক বাজারমূল্য ছিল ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং তার মায়ের স্বর্ণালংকারের মূল্য ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা। অর্থাৎ মোট মূল্য ছিল প্রায় ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

ফারজানা পরে জানতে পারেন, লকার পরিচালনার জন্য তার মা তাকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। কিন্তু তার মা হোস্নে জাহান ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই মারা যান। বিদেশে থাকায় ফারজানা দেশে ফেরেননি। তিনি দেশে ফেরেন ২০২৬ সালের ১২ আগস্ট। দেশে ফিরে তিনি জানতে পারেন, তার মায়ের মৃত্যুর বিষয়টি অবহিত করে তার বোন ফারহানা রহমান লকার পরিচালনার আবেদন করেন। এরপর ফারহানা তার নামে একটি মিথ্যা ঘোষণাপত্র তৈরি করেন এবং ব্যাংকে জমা দেন। ঘোষণাপত্রটি ব্যাংকে দাখিল করা হয় ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।

ফারজানা জানান, ব্যাংক তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ না করেই জাল সই ও মিথ্যা ঘোষণাপত্র অনুযায়ী ফারহানাকে লকার খুলতে দেয়। এরপর ওই ভুয়া ঘোষণাপত্রের ভিত্তিতে তার ও মায়ের গচ্ছিত সব স্বর্ণালংকার কোনো বৈধ উত্তরাধিকারসংক্রান্ত প্রক্রিয়া ছাড়াই লকার থেকে বের করে নেওয়া হয়। দেশে ফিরে তিনি চলতি বছরের ২৪ আগস্ট ব্যাংকে গিয়ে খোঁজ নেন। তখন তিনি জানতে পারেন, তার মায়ের লকারের স্বর্ণালংকার ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর বের করে নেওয়ার পর লকারটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

ফারজানার অভিযোগ, তার ও মায়ের স্বর্ণালংকার মালিকের অনুপস্থিতিতে এবং অনুমতি ছাড়া কীভাবে বের করে নেওয়া হলো? এ বিষয়ে তিনি ব্যাংকের কাছে লিখিতভাবে জানতে চান। এ জন্য অগ্রণী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে কিছু কাগজপত্রের অনুলিপিও সংগ্রহ করেছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন।

এদিকে ফারহানা রহমান তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে জানাতে গিয়ে বলেন, ‘বোনের সই করা নথির প্রিন্ট কপি আমার কাছে আছে।’ তবে নথিটির মূল কপি কীভাবে তার হাতে এসেছে, সেটি তিনি নিজেও জানেন না। তিনি আরও বলেন, ‘ওই কাগজ আমার বোনই পাঠিয়েছিলেন।’ লকার থেকে বোন ও মায়ের স্বর্ণালংকার বের নেওয়ার অভিযোগও অস্বীকার করেন ফারহানা। তিনি বলেন, ‘বোনের গয়নার একটি বাক্স আমার কাছে রয়েছে। এবং সেগুলো অন্য একটি ব্যাংকের লকারে রাখা আছে, যা আমি এখনো খুলে দেখিনি।’

ফারজানা তার অভিযোগে শুধু লকারের স্বর্ণালংকার নিয়ে নয়, তার সই করা দুটি চেক নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তার দাবি, বিদেশ যাওয়ার আগে মায়ের দৈনন্দিন বা জরুরি খরচ মেটানোর জন্য দুটি চেক সই করে রেখে যান। কিন্তু ওই চেক বইয়ের দুটি পাতা ব্যবহার করে চলতি বছরের ২৭ জুলাই ও ৩ আগস্ট অগ্রণী ব্যাংকের পৃথক দুটি শাখা থেকে তার বোন ফারহানার প্রতিনিধি ফাহমিদা ও সামিয়া টাকা উত্তোলন করেন। একটি চেক থেকে ৩০ হাজার টাকা এবং অপর চেক থেকে ৩৮ হাজার ৫০০ টাকা উত্তোলন করা হয়।

ফারহানা রহমান তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগকে ‘১০০ শতাংশ মিথ্যা’ বলে দাবি করেন। তার দাবি, বিদেশে যাওয়ার আগে বোন দেশে থাকা সম্পদ বা লকারের বিষয়ে তাকে কিছুই বুঝিয়ে দিয়ে যাননি। এমনকি তাদের মা মারা যাওয়ার আগেও লকারে থাকা সম্পদ সম্পর্কে তাকে কোনো দায়িত্ব দিয়ে যাননি। আর বোনের চেক নিয়ে তিনি জালিয়াতি করেছেন—এমন অভিযোগেরও কোনো ভিত্তি নেই বলে তিনি দাবি করেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, অগ্রণী ব্যাংকের রমনা করপোরেট শাখা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফারজানা রহমান লিমা, ফারহানা রহমান, হোস্নে জাহান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: লকার নম্বর ৪০৯, স্বর্ণালংকারের মূল্য ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা, চেক জালিয়াতির পরিমাণ ৬৮ হাজার ৫০০ টাকা
“অভিযোগটি আমাদের নজরে এসেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে একটি ‘ইনকোয়ারি’ বা ‘অডিট টিম’ গঠন করা হচ্ছে। তদন্ত না করে এর সত্য-মিথ্যা কোনোটিই বলা সম্ভব নয়।”

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖