📅 ৩১ আগস্ট ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আইওটি প্রযুক্তির কল্যাণে যশোরের খামারির উৎপাদন খরচ কমেছে ১৫ হাজার টাকা

আইওটি প্রযুক্তির কল্যাণে যশোরের খামারির উৎপাদন খরচ কমেছে ১৫ হাজার টাকা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যশোরের অভয়নগরের খামারি পলাশ কুমার মণ্ডল আইওটি প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁর ব্রয়লার মুরগির খামারের উৎপাদন খরচ প্রতি মাসে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা কমিয়েছেন। ছয় মাস আগে খামারে আইওটি ডিভাইস স্থাপনের ফলে শ্রমিক খরচ ও বিদ্যুৎ বিল উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে

যশোরের অভয়নগরের বাগুটিয়া গ্রামের খামারি পলাশ কুমার মণ্ডল তাঁর ব্রয়লার মুরগির খামারে ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছেন। তাঁর খামারে তিন হাজার ব্রয়লার মুরগি রয়েছে, যেখানে তিনি আইওটি ডিভাইসের মাধ্যমে তাপমাত্রা, পানি সরবরাহ, বৈদ্যুতিক পাখা ও আলোর নিয়ন্ত্রণ করছেন। ফলে একজন শ্রমিকের খরচ বেঁচে যাওয়ায় প্রতি মাসে তাঁর উৎপাদন খরচ ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা কমেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আইওটি প্রযুক্তির মাধ্যমে খামারের নিয়ন্ত্রণে আসে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাপনা
  • 📌 উৎপাদন খরচ প্রতি মাসে কমেছে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা
  • 📌 খামারে শ্রমিকের প্রয়োজনীয়তা দূর হওয়ায় বেতন খরচও কমেছে ১২ হাজার টাকা
  • 📌 বিদ্যুৎ বিলও কমেছে এক থেকে দেড় হাজার টাকা
  • 📌 খামার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ডিভাইস স্থাপনে ব্যয় হয়েছে ৫০ হাজার টাকা

📰 বিস্তারিত

পলাশ কুমার মণ্ডলের খামারে আইওটি প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে তাঁর শ্রমঘণ্টা সাশ্রয় হয়েছে। পূর্বে তাঁকে প্রতিদিন খামারে উপস্থিত থাকতে হতো এবং একজন শ্রমিককে নিয়োগ দিতে হতো, যার মাসিক বেতন ছিল ১২ হাজার টাকা। আইওটি ডিভাইস স্থাপনের পর থেকে তিনি তাঁর মৎস্য চাষে বেশি মনোনিবেশ করতে পারছেন। তাঁর স্ত্রী বিথী মণ্ডল বেসরকারি সংস্থা নবলোক পরিষদের ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির সদস্য। এই সংস্থার মাধ্যমে তিনি বিনা মূল্যে আইওটি ডিভাইসটি পেয়েছেন।

খামারে আইওটি ডিভাইসের মাধ্যমে তাপমাত্রা, পানি সরবরাহ ও আলোর নিয়ন্ত্রণ করা যায়। খামারের ভেতরে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে তিনি মুঠোফোনের অ্যাপসের সাহায্যে খামার পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। খামারের ভেতরে পানির পাত্রগুলো পাইপের মাধ্যমে ছাদের ট্যাংকের সঙ্গে সংযুক্ত, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পানি সরবরাহ করে।

স্থানীয় খামারি ফয়সাল সরদার ও মোহাম্মদ আনারুল মোল্লা পলাশ কুমারের কাছ থেকে আইওটি প্রযুক্তির ধারণা নিয়ে তাঁদের নিজ নিজ খামারে প্রয়োগ করতে আগ্রহী। ফয়সাল সরদার বলেন, সরকারকে প্রান্তিক খামারিদের জন্য এই প্রযুক্তি সহজলভ্য করতে হবে। নবলোক পরিষদের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা প্রসূন বিশ্বাস জানান, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) আর্থিক সহায়তায় তাঁরা তিনজন খামারিকে আইওটি প্রযুক্তি প্রদান করেছেন।

"ছয় মাস আগেও আমার খামারে অতিরিক্ত একজন কর্মী রাখা লাগত। তাঁর বেতন দিতে হতো প্রতি মাসে ১২ হাজার টাকা। আইওটি ডিভাইস স্থাপনের পর থেকে বিদ্যুৎ বিল আসছে এক থেকে দেড় হাজার টাকা কম। এ ছাড়া আনুষঙ্গিক খরচ কমেছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যশোরের অভয়নগরের বাগুটিয়া গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পলাশ কুমার মণ্ডল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: উৎপাদন খরচ কমেছে ১৪–১৫ হাজার টাকা, শ্রমিক খরচ কমেছে ১২ হাজার টাকা, ডিভাইস স্থাপনে ব্যয় ৫০ হাজার টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖