📌 জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌরসভার গুলশান মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আটটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটকে আগুনের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ফায়ার সার্ভিস। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, তাদের প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে
জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌরসভার কেন্দ্রীয় মসজিদসংলগ্ন গুলশান মার্কেটে রোববার রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। মুহূর্তেই আগুন দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর রাত ২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অগ্নিকাণ্ডে গুলশান মার্কেটের আটটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যায়
- 📌 ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে হোটেল জমজম, ভাই ভাই বেডিং হাউজ, ইমন স্টোর ও মুসলিম ভ্যারাইটিজ প্লাস্টিক স্টোর
- 📌 ক্ষতির পরিমাণ দেড় কোটি টাকা বলে দাবি ব্যবসায়ীদের
- 📌 ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে
📰 বিস্তারিত
গুলশান মার্কেটের ইমন স্টোর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী রিপন মোদক। তিনি জানান, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় তার দোকানের মালামাল ও আসবাবপত্র সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। ক্ষতির পরিমাণ দেড় কোটি টাকা বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বকশীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা আব্দুল কুদ্দুস জানান, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। দুটি ইউনিট প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। তিনি জানান, এ ঘটনায় প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। ইউএনও মুরাদ হোসেন জানান, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক সরকারিভাবে সহযোগিতার নির্দেশনা দিয়েছেন। বিষয়টি মন্ত্রীও অবহিত রয়েছেন এবং তিনি সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
"ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রায় দেড় ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।" — আব্দুল কুদ্দুস, ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা, বকশীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বকশীগঞ্জ, জামালপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউএনও মুরাদ হোসেন, আব্দুল কুদ্দুস, রিপন মোদক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮টি দোকান, দেড় কোটি টাকা ক্ষতি, ৪০-৫০ লাখ টাকা ক্ষতি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!