📅 ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:৪১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিরাজগঞ্জের যমুনা তীরে শীতের আগেই শুরু হয়েছে আখের গুড় তৈরির মৌসুম

সিরাজগঞ্জের যমুনা তীরে শীতের আগেই শুরু হয়েছে আখের গুড় তৈরির মৌসুম

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর তীরবর্তী এলাকায় শীতের আগেই শুরু হয়েছে আখের গুড় তৈরির কর্মসূচি। আখের ফলন কমে খরচ বাড়ার কারণে কৃষকদের লাভের বিষয়ে উদ্বেগ রয়েছে। প্রতি বিঘা ভালো মানের আখের দাম ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।

সিরাজগঞ্জ জেলার যমুনা নদীর তীরবর্তী এলাকায় শীতের আগেই শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী আখের গুড় তৈরির মৌসুম। কৃষক ও কারিগররা মাঠ থেকে আখ সংগ্রহ করে রস বের করে গুড় তৈরি করছেন। তবে আখের ফলন কমে উৎপাদন খরচ বাড়ার কারণে কৃষকদের লাভের বিষয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সিরাজগঞ্জের খোকশাবাড়ি, ছোনগাছা, পাঁচঠাকুরী, উল্লাপাড়া, শাহজাদপুর ও কামারখন্দ উপজেলায় চলছে আখের গুড় তৈরির কর্মযজ্ঞ
  • 📌 প্রতি বিঘা ভালো মানের আখের বর্তমান দাম ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টাকা, মাঝারি মানের ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা, নিম্নমানের ১০ হাজার টাকা
  • 📌 প্রতি মণ গুড়ের বাজার মূল্য প্রায় ২ হাজার টাকা
  • 📌 জেলায় ৮০০ হেক্টর জমিতে আখ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে
  • 📌 আখের রোগবালাই ও পোকামাকড় দমনে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে

📰 বিস্তারিত

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আখের গুড় তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। প্রথমে মেশিনে আখ মাড়াই করে রস সংগ্রহ করা হয়। পরে মাটির তৈরি বিশেষ চুলায় বড় লোহার কড়াইয়ে রস জ্বালিয়ে ঘন করে গুড় তৈরি করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় প্রায় দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা সময় লাগে। রস ঘন হয়ে গেলে হাতের সাহায্যে বিভিন্ন আকৃতিতে সুস্বাদু গুড় তৈরি করা হয়।

ছোনগাছা ইউনিয়নের পারপাচিল গ্রামের আখচাষি মোখলেছুর রহমান বলেন, প্রতি বছর শীতের আগে আখের গুড় তৈরি শুরু করেন তারা। এবার আখের ফলন কিছুটা কম হয়েছে। শ্রমিক, আখ মাড়াই ও জ্বালানির খরচ বেড়েছে। তারপরও গুড়ের চাহিদার কথা বিবেচনা করে উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, “ন্যায্যমূল্য পেলে কৃষকরা লাভবান হবেন।”

এই গ্রামের গুড়ের পাইকার মো. সেলিম জানান, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত গুড়ের চাহিদা রয়েছে বিভিন্ন জেলায়। ঢাকা, জামালপুরের সরিষাবাড়ী, ইসলামপুর ও টাঙ্গাইলের বিভিন্ন বাজারে গুড় সরবরাহ করা হয়। তিনি বলেন, “মান ভালো হলে ক্রেতাদের আগ্রহও বেশি থাকে।”

সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মো. রেজাউল হক জানিয়েছেন, চলতি মৌসুমে জেলায় ৮০০ হেক্টর জমিতে আখ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, “আখের রোগবালাই ও পোকামাকড় দমনে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি গুড় উৎপাদনে উৎসাহিত করা হচ্ছে। উন্নত জাতের আখ চাষ, উৎপাদন খরচ কমানো এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী আখের গুড় শিল্প আরও সম্প্রসারিত হবে।”

"শ্রমিক, আখ মাড়াই ও জ্বালানির খরচ বেড়েছে। ন্যায্যমূল্য পেলে কৃষকরা লাভবান হবেন"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জ জেলার যমুনা নদীর তীরবর্তী এলাকা (খোকশাবাড়ি, ছোনগাছা, পাঁচঠাকুরী, উল্লাপাড়া, শাহজাদপুর, কামারখন্দ উপজেলা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোখলেছুর রহমান (আখচাষি), মো. সেলিম (গুড়ের পাইকার), মো. রেজাউল হক (সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপপরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০-৫৫ হাজার টাকা (ভালো মানের আখের দাম), ৩০-৩৫ হাজার টাকা (মাঝারি মানের আখের দাম), ১০ হাজার টাকা (নিম্নমানের আখের দাম), ২ হাজার টাকা (প্রতি মণ গুড়ের দাম), ৮০০ হেক্টর (আখ চাষের লক্ষ্যমাত্রা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖