📅 ২ নভেম্বর ২০২৬, ২:৫৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সুনামগঞ্জে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার সাক্ষী পরিবারের ওপর হামলা-লুটপাট: ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

সুনামগঞ্জে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার সাক্ষী পরিবারের ওপর হামলা-লুটপাট: ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সুনামগঞ্জের শাল্লায় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার সাক্ষী পরিবারের বাড়ি ও দোকানে হামলা-লুটপাটের ঘটনা ঘটে। ৩৩ জনের নামসহ ৭০-৮০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে মামলা করা হয়েছে। হামলায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং পরিবারের সদস্যরা আহত হয়েছেন

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার সাক্ষী পরিবারের ওপর হামলা-লুটপাটের ঘটনা ঘটে। গত রোববার সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ও দোকান ভাঙচুর করে নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এতে পরিবারের সদস্যরা আহত হয়েছেন এবং ৪০ লাখ টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সুনামগঞ্জ শাল্লায় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার সাক্ষী দুলাল মিয়ার পরিবারের বাড়ি ও দোকানে হামলা-লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
  • 📌 মামলায় ৩৩ জনের নামসহ অজ্ঞাতপরিচয় ৭০-৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
  • 📌 হামলায় পরিবারের সদস্যরা মারধর ও আহত হন। সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী কুলসুমা বেগম (৩২), সেলিনা আক্তার (৩৫), রোকেয়া বেগম (৩২) এবং এলিম মিয়া (৩) আহত হন।
  • 📌 হামলাকারীরা পরিবারের নারী-পুরুষদের মারধর করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
  • 📌 পুলিশের দাবি, ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদক কারবার ও চুরির অভিযোগ রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

সুনামগঞ্জের শাল্লা থানায় গত রোববার সন্ধ্যায় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার সাক্ষী দুলাল মিয়ার পরিবারের ওপর হামলা-লুটপাটের ঘটনা ঘটে। মামলার বাদী ফরিদা খাতুনের মতে, হামলাকারীরা বাড়িঘর ও দোকান ভাঙচুর করে নিত্যপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। এতে পরিবারের সদস্যরা মারধর ও আহত হন। সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী কুলসুমা বেগম (৩২), মেয়ে সেলিনা আক্তার (৩৫), ছোট ছেলে উজ্জ্বল মিয়ার স্ত্রী রোকেয়া বেগম (৩২) এবং উজ্জ্বল মিয়ার ছেলে এলিম মিয়া (৩) আহত হন।

মামলার পরদিন আজ সকালেও অভিযুক্তরা পরিবারের বাড়িতে হামলার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ করেন ফরিদা খাতুন। তবে অভিযুক্তরা দাবি করেন, মাদক নির্মূল টিম মাদক ব্যবসায় জড়িত ব্যক্তিদের বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে। দুলাল মিয়া জানান, তাঁর পরিবার ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাক্ষী ছিলেন। তাঁর বাবা মাহমুদ আলী মুক্তিযুদ্ধের সময় শহীদ হন এবং নিকটাত্মীয় জমিলা খাতুন বীরাঙ্গনা ছিলেন।

শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোহেল বলেন, মামলায় ৩৩ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৭০ থেকে ৮০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন এবং আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রাসেল মিয়া বলেন, এ হামলার পিছনে পূর্বশত্রুতার জের রয়েছে।

"আমার বাড়িঘর-দোকানপাট সব তছনছ করে দিয়েছে। পরিবার নিয়ে বেঁচে থাকার মতো পরিবেশ নেই। ঘরের নিত্যপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকারসহ সব লুট করে নিয়ে গেছে দুষ্কৃতকারীরা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শাল্লা, সুনামগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফরিদা খাতুন, দুলাল মিয়া, সেলিনা আক্তার, রোকেয়া বেগম, এলিম মিয়া, মোহাম্মদ সোহেল (ওসি), মো. রাসেল মিয়া (ইউপি সদস্য)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩ জন (নামসহ আসামি), ৭০-৮০ জন (অজ্ঞাতপরিচয় আসামি), ৪০ লাখ টাকা (ক্ষয়ক্ষতি), ৩২ (কুলসুমা বেগম), ৩৫ (সেলিনা আক্তার), ৩ (এলিম মিয়া)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖