📅 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী মাটির টালি পাবে জিআই স্বীকৃতি, বিশ্ববাজারে নতুন পরিচয় পাবে শিল্প

সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী মাটির টালি পাবে জিআই স্বীকৃতি, বিশ্ববাজারে নতুন পরিচয় পাবে শিল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সাতক্ষীরার মাটির টালি ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) স্বীকৃতি পাওয়ার পথে এগিয়ে গেছে। ২০২৬ সালের ২০ আগস্ট জিআই জার্নালে নিবন্ধনের আবেদন প্রকাশিত হয়। ২০টি কারখানায় কর্মরত পাঁচ হাজার শ্রমিকের জীবিকা সংকটে পড়ার পর এই স্বীকৃতি আশা করা হচ্ছে ব্যবসা পুনরুজ্জীবিত হবে

সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী মাটির টালি শিল্প বিশ্ববাজারে নতুন পরিচয় পাবার পথে এগিয়ে গেছে। সরকারের পেটেন্ট, শিল্প–নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) জিআই জার্নালে ‘সাতক্ষীরার মাটির টালি’ নিবন্ধনের আবেদন প্রকাশ করেছে। এই স্বীকৃতি পেলে শিল্পের নতুন ব্র্যান্ডিং হবে এবং বিদেশে রপ্তানি কমে যাওয়ার সংকট মোকাবেলা করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জিআই জার্নাল নম্বর ৬৭ এ ‘সাতক্ষীরার মাটির টালি’ নিবন্ধনের আবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ২০২৬ সালের ২০ আগস্ট জার্নাল প্রকাশিত হয়।
  • 📌 ২০ অক্টোবর পর্যন্ত আপত্তি জানানোর সুযোগ রয়েছে। আপত্তি না এলে পরবর্তী প্রক্রিয়ায় নিবন্ধন চূড়ান্ত হবে।
  • 📌 ২০টি কারখানায় কর্মরত পাঁচ হাজার শ্রমিকের জীবিকা সংকটে পড়েছে। রপ্তানি কমে যাওয়ায় ৪১টি কারখানার মধ্যে শুধু ২০টি বর্তমানে সচল আছে।
  • 📌 ২৫ শতাংশ পর্যন্ত উৎপাদন খরচে অপচয় হয়। শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৪০০ টাকা।
  • 📌 ২০০২ সাল থেকে বিদেশে রপ্তানি শুরু হয়। প্রতি বছর ৫ থেকে ৬ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় হত।

📰 বিস্তারিত

সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার মুরারীকাটি এলাকায় অবস্থিত পালপাড়ায় একসময় মাটির টালি তৈরির কারখানাগুলো ব্যস্ততার চরমে ছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই ব্যস্ততা অনেকাংশে কমে গেছে। টালি তৈরির কারখানাগুলোতে উৎপাদন ও রপ্তানি কমে যাওয়ায় শ্রমিকদের জীবিকা সংকটে পড়েছে। তবে এই সংকট মোকাবেলায় নতুন আশা জাগিয়েছে জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার সম্ভাবনা।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জিআই জার্নালে ‘সাতক্ষীরার মাটির টালি’ নিবন্ধনের আবেদন প্রকাশিত হয়েছে। জার্নাল প্রকাশের পর দুই মাসের মধ্যে আপত্তি জানানোর সুযোগ রয়েছে। ২০২৬ সালের ২০ অক্টোবর পর্যন্ত এই সুযোগ থাকবে। আপত্তি না এলে পরবর্তী প্রক্রিয়ায় নিবন্ধন চূড়ান্ত হবে।

কারখানার মালিক ইমাদুর রহমান বলেন, বিদেশে রপ্তানি কমে যাওয়ার পাশাপাশি জাহাজভাড়া বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায় সংকট তৈরি হয়েছে। তিনি আশা করছেন, জিআই নিবন্ধন পেলে ব্যবসা আবার ঘুরে দাঁড়াবে। ডিপিডিটির তথ্য অনুযায়ী, কলারোয়া ও আশপাশের গ্রামে তৈরি এসব মাটির টালিতে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।

২০০২ সাল থেকে বিভিন্ন দেশে টালি রপ্তানি হয়ে আসছে। প্রতিবছর রপ্তানি করে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় হত। তবে বর্তমানে এই আয় কমে গেছে। একসময় কলারোয়ার বিভিন্ন এলাকায় ৪১টি টালি কারখানা ছিল। শুধু তুজলপুর এলাকাতেই ছিল ১৪টি। এখন সেখানে শুধু তিনটি কারখানা সচল আছে। সব মিলিয়ে বর্তমানে কলারোয়ায় মাত্র ২০টি কারখানা সচল রয়েছে।

"জিআই স্বীকৃতি পেলে বিশ্বে সাতক্ষীরার মাটির টালিশিল্পের একটা নতুন ব্র্যান্ডিং হবে। একসময় বিদেশের বাজারে কলারোয়ার টালির চাহিদা বেশি ছিল। আমাদের তৈরি টালি অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, ইতালি সহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়েছে।"

মুরারীকাটি এলাকার টালি কারখানার মালিক মনিরুজ্জামান বকুল জানান, ইতালির ব্যবসায়ী রাফাইলো আলদোর আগ্রহের পর টালি তৈরির কাজে নতুন গতি আসে। ২০০৩ সালের প্রথম দিকে সেখানে বাণিজ্যিকভাবে টালি উৎপাদন শুরু হয় এবং ওই বছরই প্রথম ইতালিতে রপ্তানি করা হয়। পরে জার্মানি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি শুরু হয়। ইতালিতে রপ্তানির সূত্র ধরে স্থানীয়ভাবে মুরারীকাটি এলাকা ‘ইতালি নগর’ নামেও পরিচিতি পায়।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কলারোয়া উপজেলা, সাতক্ষীরা, মুরারীকাটি এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমাদুর রহমান, মনিরুজ্জামান বকুল, রাফাইলো আলদো
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৬ সালের ২০ আগস্ট (জিআই জার্নাল প্রকাশ), ২০ অক্টোবর (আপত্তি শেষ তারিখ), ২০টি কারখানা, ৪১টি কারখানা (পূর্বে), ৫ হাজার কর্মসংস্থান, ২৫ শতাংশ (অপচয়), ৪০০ টাকা (দৈনিক মজুরি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖