📌 গাজা স্ট্রিপে ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে ধ্বংসপ্রাপ্ত ৭৬.৬ শতাংশ ভবনে আশ্রয় নেওয়া পরিবারদের জীবন বিপদে। ৭৩ হাজারাধিক নিহতের পাশাপাশি ৩৭১ হাজার ঘরবাড়ি ধ্বংসপ্রাপ্ত। ৬০ বছর বয়সী মাসাদা আবু জারাদ ও আব্দুল্লাহ আবু হাজারসহ পরিবাররা ভবনের ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় রাতদিনে আতঙ্কিত
গাজা স্ট্রিপের যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিবাররা ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনে আশ্রয় নেওয়ার কারণে জীবন বিপদে পড়েছেন। ইসরায়েলের তিন বছরেরও বেশি যুদ্ধের ফলে গাজার ৭৬.৬ শতাংশ ভবন ধ্বংস বা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ৭৩ হাজারাধিক প্যালেস্টাইনির মৃত্যু হয়েছে। এখন পরিবাররা ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় থাকা ভবনে আশ্রয় নিচ্ছেন, যেখানে কোনো নিরাপদ বিকল্প নেই।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৭৬.৬ শতাংশ ভবন ধ্বংসপ্রাপ্ত**: গাজায় ৩৭১,৮৮৮টি ঘরবাড়ি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত, পুনর্নির্মাণে ৭১.৫ বিলিয়ন ডলার দরকার
- 📌 **৬০ বছর বয়সী মাসাদা আবু জারাদ**: গাজা সিটির ভেঙে পড়া ভবনে আশ্রয় নিচ্ছেন, পরিবারের জন্য টেন্ট গড়েছেন — "আমাদের আর কোনো বিকল্প নেই"
- 📌 **আব্দুল্লাহ আবু হাজার**: ৬-তলা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা থাকা আল-নাজমা ভবনে ৫০-৬০ জনের পরিবার বসবাস করছে, রাতদিনে আতঙ্কিত
- 📌 **১৬ সেপ্টেম্বর ভয়াবহ ভবনপতন**: গাজা সিটিতে ৬-তলা ভবন পতিত হলে ২১ জন নিহত,其中 ১২ জন শিশু — এতে পরিবাররা আরও ভীতসন্ত্রস্ত
- 📌 **প্যালেস্টাইন রেড ক্রেসেন্ট ও সিভিল ডিফেন্সের সতর্কবার্তা**: ভবনগুলোতে বসবাস বন্ধ করার জন্য সতর্কতা জারি করা হলেও পরিবারদের কোনো বিকল্প নেই
📰 বিস্তারিত
গাজা সিটির প্যালেস্টাইন স্কয়ার এলাকায় বসবাসকারী ৬০ বছর বয়সী মাসাদা আবু জারাদ তার পরিবারের জন্য একটি টেন্ট গড়েছেন ভেঙে পড়া ভবনের নিচে। তার পরিবার গাজার বেইত লাহিয়া থেকে বিতাড়িত হয়েছিল, কিন্তু এখনও সেখানে ফিরে যেতে পারেনি। তিনি বলেছেন, “আমাদের আর কোনো বিকল্প নেই। আমি চাই বের হয়ে যেতে, কিন্তু কেউ আমাকে বিকল্প দিতে চায় না?” মাসাদা জানান, তিনি এক বছর আগে উত্তর গাজা থেকে গাজা সিটিতে ফিরে এসেছিলেন, কিন্তু এখনও সেখানে নিরাপদ বসবাসের কোনো সম্ভাবনা নেই।
আব্দুল্লাহ আবু হাজার তার পরিবারসহ ৫০-৬০ জনের একটি বড় পরিবার আল-নাজমা ভবনে বসবাস করছেন। এই ভবনটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং পতনের আশঙ্কায় রয়েছে। ভবনের বাইরে পৌর প্রশাসনের সতর্কতা লক্ষ্য করা যায়: “এই ভবনটি নিরাপদ নয় এবং পতনের আশঙ্কায় রয়েছে”। আব্দুল্লাহ বলেন, “আমি রাতদিনে জাগ্রত থাকি। আমি শুয়ে পড়তে পারি না। আমি শুধু শোনি — কোনো অজানা শব্দ, কংক্রিটের গড়গড়ি, বা ভবনের ভিতরে কোনো অদ্ভুত শব্দ শুনলে আমি সতর্ক হয়ে পড়ি।” তিনি জানান, তার পরিবার বেইত হানোন থেকে বিতাড়িত হয়েছিল এবং তারা বারবার স্থানান্তরিত হয়েছে।
১৬ সেপ্টেম্বর গাজা সিটিতে একটি ৬-তলা ভবন পতিত হলে ২১ জন নিহত হয়, যার মধ্যে ১২ জন শিশু। এই ঘটনাটি পরিবারদের আরও ভীতসন্ত্রস্ত করেছে। আব্দুল্লাহ বলেন, “আমি ইতিমধ্যে উত্তেজিত। কিন্তু আমি জানি না, আমি কোথায় যাব?” তিনি জানান, তার এক আত্মীয় দক্ষিণ ও উত্তর গাজা মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন টেন্ট গড়ার জন্য, কিন্তু তিনি আত্মীয়কে তাদের সাথে থাকার জন্য বললেও সে আতঙ্কিত।
"আমাদের আর কোনো বিকল্প নেই। আমি চাই বের হয়ে যেতে, কিন্তু কেউ আমাকে বিকল্প দিতে চায় না?"
"এবং যদি আরো ভালো কোনো জায়গা থাকে, তাহলে বলুন আমি কীভাবে তা ভাড়া করতে পারব?"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজা স্ট্রিপ (গাজা সিটি, প্যালেস্টাইন স্কয়ার, আল-নাজমা ভবন)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মাসাদা আবু জারাদ (৬০), আব্দুল্লাহ আবু হাজার (৪০), প্যালেস্টাইন রেড ক্রেসেন্ট, সিভিল ডিফেন্স, ইউনাইটেড নেশনস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৩,০০০ (প্যালেস্টাইনির মৃত্যু), ৩৭১,৮৮৮ (ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন), ৭১.৫ বিলিয়ন ডলার (পুনর্নির্মাণ খরচ), ২১ (১৬ সেপ্টেম্বর ভবনপতনে নিহত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!