📌 খুচরা সার বিক্রেতারা সরকারের নতুন নীতিমালার প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। দাবি তাঁদের কার্ড ও লাইসেন্স বহাল রাখার। ৪৪ হাজার পরিবারের জীবিকা সংকটে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ
খুচরা সার বিক্রেতাদের বৈষম্যমূলক সরকারি নীতির বিরুদ্ধে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিক্রেতারা। সংশোধিত নীতিমালায় তাঁদের কার্ড ও লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এই কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। খুচরা সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের নেতৃত্বে সারা দেশ থেকে অংশগ্রহণকারীরা এতে যোগ দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকারের নতুন নীতিমালায় ৪৪ হাজার খুচরা সার বিক্রেতার কার্ড ও লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত
- 📌 ২০০৯ সাল থেকে সরকারি অনুমোদনে কার্ডধারী বিক্রেতারা কৃষকদের কাছে সার সরবরাহ করে আসছেন
- 📌 নতুন ব্যবস্থায় বিসিআইসি ও বিএডিসির পৃথক পরিবেশক প্রথা বিলুপ্ত করে সমন্বিত ব্যবস্থা চালু
- 📌 বিক্রেতাদের দাবি, বৈষম্যমূলক নীতির কারণে লাখো মানুষের জীবিকা সংকট দেখা দেবে
📰 বিস্তারিত
খুচরা সার বিক্রেতারা জানান, তাঁদের কার্ড ও লাইসেন্স বহাল রাখার দাবিতে আজ সোমবার সকাল থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। সংগঠনের নেতারা বলেন, ১০ আগস্ট সংশোধিত নীতিমালা জারি করা হয়েছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে মাঠপর্যায়ে সার বিক্রি করে আসা কার্ডধারী বিক্রেতারা বাদ পড়েছেন।
খুচরা সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি মো. ফোরকান বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে এ দেশের কৃষকের সেবা দিয়ে আসছি। আমাদের অন্য কোনো আয়ের উৎস নেই। ৪৪ হাজার পরিবারের অস্তিত্ব রক্ষায় এই বৈষম্যমূলক নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করা হোক।’
বরগুনার আমতলার খুচরা সার বিক্রেতা হুমায়ুন কবির বলেন, ‘পাঁচ মাস ধরে আমরা আন্দোলন করছি। খুচরা পর্যায়ে আমরা কৃষকদের সার দিয়ে থাকি। আমাদের আয় সীমিত। ৩০ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে সার নিয়েছি। কৃষকদের ৫৬ লাখ টাকার সার বাকি দিয়েছি। আমাদের বাদ দিলে এই টাকা আর ওঠানো যাবে না।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ফোরকান (সভাপতি, খুচরা সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৪ হাজার (খুচরা বিক্রেতা), ৪০ বছর (দীর্ঘ কর্মকাল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!