📅 ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সংসদে অর্থমন্ত্রী: কোম্পানি বন্ধ করলে অর্থনীতিতে বিপর্যয়, আইনের বাইরে ঋণ নিষিদ্ধ

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
সংসদে অর্থমন্ত্রী: কোম্পানি বন্ধ করলে অর্থনীতিতে বিপর্যয়, আইনের বাইরে ঋণ নিষিদ্ধ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, কোম্পানি বন্ধ করে দেওয়া অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আইনের বাইরে ঋণ দেওয়া নিষিদ্ধ এবং দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের বিচার চলছে। রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকা

সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, কোনো কোম্পানি বন্ধ করে দেওয়া দেশের অর্থনীতিকে বিপর্যয় সৃষ্টি করে। তিনি বলেন, অর্থনীতি আইনের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হতে হবে, আবেগের ওপর নয়। রোববার জাতীয় সংসদের বৈঠকে এস আলম গ্রুপের ঋণখেলাপি অবস্থা নিয়ে সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 অর্থমন্ত্রী বলেছেন, কোম্পানি বন্ধ করলে অর্থনীতিতে বিপর্যয়, কর্মচারীদের চাকরি ও ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব পড়ে।
  • 📌 এস আলম গ্রুপের ঋণের পরিমাণ ২ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি, কিন্তু সরকার নতুন ঋণ দিচ্ছে পুনঃতফসিলের সুযোগে।
  • 📌 রাষ্ট্রমালিকানাধীন ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকা, যার মধ্যে জনতা ব্যাংকের ঋণ সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার ৩৯৬ কোটি টাকা।
  • 📌 মাথাপিছু ঋণ বর্তমানে ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা, সরকার রাজস্ব বৃদ্ধি ও ঋণ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বোঝা কমাতে চেষ্টা করছে।
  • 📌 দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের বিচার চলছে, কিন্তু কোম্পানির কার্যক্রম চলতে দিতে হবে বলে অর্থমন্ত্রী জানান।

📰 বিস্তারিত

সংসদে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ জানান, বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষ ঋণখেলাপি দেশ। এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন এসএস পাওয়ার প্রতিষ্ঠানকে ৩১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৬১ ডলারের এলসি খোলার অনুমতি দেয়া হয়েছে। তিনি জিজ্ঞাসা করেন, সরকার কেন ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানকে নিলামে না তুলে নতুন ঋণ দিচ্ছে। অর্থমন্ত্রী জবাবে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক আইন ভঙ্গ করে কাউকে ঋণ দেওয়া হয় না। তবে পুনঃতফসিলের সুযোগে কোম্পানিগুলো ঋণ পরিশোধের সুযোগ পাচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘দেশে যেকোনো কোম্পানিকে কোনো ব্যক্তির কারণে বন্ধ করে দিলে সেই কোম্পানিতে কর্মচারী, ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব ও অর্থনৈতিক অবদান হারায়। কোম্পানির কার্যক্রম চলতে দিতে হবে, সেটা যে কোম্পানিই হোক।’ তিনি আরও বলেন, দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের বিচার চলছে, কিন্তু কোম্পানিকে আলাদা করে দেখতে হবে

রাষ্ট্রমালিকানাধীন ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৩০ জুন, ২০২৬ পর্যন্ত ১ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে জনতা ব্যাংকের খেলাপি ঋণ সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার ৩৯৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। অগ্রণী ব্যাংকের ঋণ ২৯ হাজার ২৯ কোটি ৬৭ লাখ, রূপালী ব্যাংকের ১৯ হাজার ২৮১ কোটি ৭৪ লাখ, সোনালী ব্যাংকের ১৫ হাজার ৪৮ কোটি ৩৯ লাখ, বেসিক ব্যাংকের ৮ হাজার ১৩১ কোটি ৯ লাখ এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের ৮৮৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।

মাথাপিছু ঋণের বোঝা কমাতে সরকার রাজস্ব বৃদ্ধি ও ঋণ ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করছে। অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমানে (৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত) দেশের জনগণের মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ টাকা।

"আপনি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুর্নীতি থাকলে তার বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবেন, তাকে জেলে দিতে পারবেন, ফাঁসিও হবে। বাট দ্য কোম্পানি ইজ আ লিগ্যাল বডি, কোম্পানিকে সেপারেট করে... কোম্পানির কার্যক্রম চলতে দিতে হবে, সেটা যে কোম্পানিই হোক।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আবদুল হান্নান মাসউদ, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা (এস আলম গ্রুপের ঋণ), ১ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকা (রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖