📌 সাভারের চামড়াশিল্প নগরীতে বিদ্যমান কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার সংস্কারে দ্বিগুণ ব্যয়ের কারণে নতুন সিইটিপি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এটি নির্মাণ করা হবে বলে জানান তিনি।
সাভারের চামড়াশিল্প নগরীতে বিদ্যমান কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) সংস্কারে দ্বিগুণ ব্যয়ের কারণে সেখানে নতুন একটি সিইটিপি নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এটি নির্মাণ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাভারের চামড়াশিল্প নগরীতে বিদ্যমান সিইটিপি সংস্কারে দ্বিগুণ ব্যয়ের কারণে নতুন সিইটিপি নির্মাণের সিদ্ধান্ত
- 📌 বিদ্যমান সিইটিপির মাধ্যমে ২৫ হাজার কিউবিক মিটার বর্জ্য পরিশোধনের কথা থাকলেও বর্তমানে পরিশোধিত হচ্ছে মাত্র ১৪ থেকে ১৫ হাজার কিউবিক মিটার
- 📌 নতুন সিইটিপি নির্মাণে ইতালি ও চীন সরকারের সমীক্ষা সহায়তা
- 📌 চামড়া খাত থেকে বর্তমানে ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি হলেও ২০৩০ সালের মধ্যে তা পাঁচ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা
- 📌 চামড়া খাতে ব্যবসা সহজীকরণে ভিয়েতনামের মতো মাত্র চারটি সনদের প্রয়োজন বলে জানান উদ্যোক্তারা
📰 বিস্তারিত
সাভারের চামড়াশিল্প নগরীতে বিদ্যমান কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার সংস্কারের পরিবর্তে নতুন একটি সিইটিপি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, বিদ্যমান সিইটিপির মাধ্যমে ২৫ হাজার কিউবিক মিটার বর্জ্য পরিশোধনের কথা থাকলেও বর্তমানে মাত্র ১৪ থেকে ১৫ হাজার কিউবিক মিটার বর্জ্য পরিশোধিত হচ্ছে। সংস্কারের জন্য দ্বিগুণ ব্যয়ের প্রয়োজন হওয়ায় নতুন সিইটিপি নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ইতালির একটি প্রতিষ্ঠান থেকে সমীক্ষা করানো হয়েছে এবং চীন সরকার থেকেও পুনর্গঠন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সাভারে স্থানান্তরের সিদ্ধান্তটি ছিল, কিন্তু প্রক্রিয়াটি ভালো ছিল না।’ নতুন সিইটিপি নির্মাণে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে স্বচ্ছ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সভা আয়োজনের সময় এপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেন, চামড়া খাত থেকে বর্তমানে ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি হচ্ছে। তিনি জানান, ২০৩০ সালের মধ্যে এই রপ্তানি পাঁচ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এর জন্য সহজ বন্ড সুবিধা প্রদান করা প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘এখানে ব্যবসা করতে ২৩টি সনদ লাগে, কিন্তু ভিয়েতনামে লাগে মাত্র চারটি। ব্যবসা সহজ করতে হবে।’
সভা আয়োজনের প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। সভাপতিত্ব করেন সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম)-এর নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান। এতে অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন চামড়া খাতের উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী।
‘সিইটিপির মাধ্যমে ২৫ হাজার কিউবিক মিটার বর্জ্য পরিশোধনের কথা থাকলেও ১৪ থেকে ১৫ হাজার কিউবিক মিটার বর্জ্য পরিশোধন করা যায়। কিন্তু এটা ঠিক করতে গেলে দ্বিগুণ খরচ লাগবে।’ — বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাভার, ঢাকা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ হাজার কিউবিক মিটার, ১৪ থেকে ১৫ হাজার কিউবিক মিটার, ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার, ২৩টি সনদ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!