📌 সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ও মূল টাকা পেতে ভুল ব্যাংক হিসাবের কারণে আর ভোগান্তিতে পড়তে হবে না। নতুন স্বয়ংক্রিয় ব্যাংক হিসাব যাচাই ব্যবস্থা থেকে ৪০ লাখেরও বেশি গ্রাহক লাভবান হবে
সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ও মূল টাকা পেতে ভুল ব্যাংক হিসাব নম্বরের কারণে আর ভোগান্তিতে পড়তে হবে না। নতুন স্বয়ংক্রিয় ব্যাংক হিসাব যাচাই ব্যবস্থা থেকে বাংলাদেশের ৪০ লাখেরও বেশি সঞ্চয়কারীর স্বস্তি নিশ্চিত হবে। এ ব্যবস্থা আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হবে স্বয়ংক্রিয় ব্যাংক হিসাব যাচাই ব্যবস্থা
- 📌 ৪০ লাখেরও বেশি সঞ্চয়কারীর স্বস্তি নিশ্চিত হবে
- 📌 ভুল হিসাব নম্বর ভুক্তির হার শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে
- 📌 ইএফটি মাধ্যমে ফেরত আসার ঝুঁকি কমবে
- 📌 ৯টি জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের লেনদেন আরও নিরাপদ হবে
📰 বিস্তারিত
সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ও মূল টাকা পেতে ভুল ব্যাংক হিসাব নম্বরের কারণে আর বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তিতে পড়তে হবে না। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, নতুন স্বয়ংক্রিয় ব্যাংক হিসাব যাচাই ব্যবস্থা (এভিএস) থেকে ৪০ লাখেরও বেশি সঞ্চয়কারীর স্বস্তি নিশ্চিত হবে। এ ব্যবস্থা আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হবে।
জাতীয় সঞ্চয় স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম (এভিএস) চালু করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট তফসিলি ব্যাংকগুলোর সমন্বয়ে এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে। এতে সঞ্চয়পত্র বা বন্ড কেনার সময় গ্রাহকের দেওয়া ব্যাংক হিসাব নম্বর তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা যাবে।
অর্থ বিভাগের বাস্তবায়িত ‘স্ট্রেনদেনিং পাবলিক ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম টু এনাবল সার্ভিস ডেলিভারি’ (এসপিএফএমএস) কর্মসূচির আওতায় এ ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। এত দিন অনলাইন সিস্টেমে ব্যাংক হিসাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাইয়ের সুযোগ ছিল না। ফলে ভুল হিসাব নম্বর দিলে ইএফটি মাধ্যমে পাঠানো মুনাফা বা মূল অর্থ ফেরত আসত। পরে তথ্য সংশোধন করে আবার টাকা পাঠাতে হতো। এতে বিনিয়োগকারীর ভোগান্তির পাশাপাশি ইস্যু অফিস, জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কাজ বাড়ত।
নতুন ব্যবস্থায় এনএসসি সিস্টেমে ব্যাংক হিসাব নম্বর দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য প্রযুক্তি (আইটি) অবকাঠামো ও সংশ্লিষ্ট তফসিলি ব্যাংকের মাধ্যমে তা যাচাই করা হবে। প্রথমে দেখা হবে—হিসাব নম্বরটি সঠিক ও সচল কি না। এরপর জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট নম্বরের সঙ্গে হিসাবধারীর তথ্য মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করা হবে। ফলে টাকা পাঠানোর আগেই ভুল বা অসামঞ্জস্য ধরা পড়বে। এভিএস দুটি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে: নতুন সঞ্চয়পত্র বা বন্ড কেনার সময় ব্যাংক হিসাব যাচাই এবং কেনার পর ব্যাংক হিসাব পরিবর্তন বা সংশোধন করতে চাইলে নতুন হিসাবটিও একইভাবে যাচাই করা হবে।
"এভিএস চালুর ফলে ভুল ব্যাংক হিসাব নম্বর ভুক্তির হার শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে। ইএফটি মাধ্যমে ফেরত আসার ঝুঁকি কমবে, ভোগান্তি কমবে বিনিয়োগকারীর। সেই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর অতিরিক্ত কাজ কমবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের সকল বিভাগ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ লাখ গ্রাহক, ১১টি স্কিম, ৯টি অনলাইন স্কিম, ৩৯ লাখ ৪৬ হাজার গ্রাহক, ১ লাখ ৭৫ হাজার ইএফটি, ৮ হাজার সঞ্চয়পত্র
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!