📌 এলএনজির চারটি কার্গো সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে কেনা হলেও আগস্টের শেষ পর্যন্ত কোনোটিই দেশে পৌঁছায়নি। সরবরাহ অনিশ্চিত হওয়ায় সরকার নতুন করে পাঁচটি কার্গো কেনার উদ্যোগ নিয়েছে। তবে তিনটি কার্গোর জন্য কোনো প্রস্তাবই পাওয়া যায়নি।
এলএনজির সরবরাহ নিয়ে আবার অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে কেনা চারটি এলএনজি কার্গোর মধ্যে কোনোটিই এখন পর্যন্ত দেশে পৌঁছায়নি। আগস্টের শেষ সপ্তাহেও কোনো কার্গো আসেনি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। ফলে গ্যাস সরবরাহ নিয়ে নতুন করে সংকট তৈরি হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে আরও পাঁচটি কার্গো কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে কেনা চারটি এলএনজি কার্গোর কোনোটিই আগস্টের শেষ পর্যন্ত দেশে পৌঁছায়নি
- 📌 আগস্টে নয়টি কার্গো আসার কথা থাকলেও সরবরাহ অনিশ্চিত হওয়ায় সংকট বেড়েছে
- 📌 সরকার নতুন করে পাঁচটি কার্গো কেনার উদ্যোগ নিয়েছে, তবে তিনটির জন্য কোনো প্রস্তাব পাওয়া যায়নি
- 📌 বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরবরাহকারীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র শেষ করতে পারেনি
- 📌 আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম প্রতি ইউনিট প্রায় ২২ ডলার, তবে সরবরাহকারীরা কম দামে প্রস্তাব দিয়েছিল
📰 বিস্তারিত
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত গতকাল সোমবার রাতে জানান, সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে ক্রয়াদেশ পাওয়া সরবরাহকারীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরিতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে তাদের জাহাজ আসতে পারেনি। তিনি বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে দরপত্র আহ্বান করে নতুন এলএনজি জাহাজ আনার ব্যবস্থা নিয়েছি। সরবরাহ ধরে রাখা যাবে।’
পেট্রোবাংলার অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) সূত্র জানায়, আগস্ট মাসে নয়টি এলএনজি কার্গো আসার কথা ছিল। এর মধ্যে তিনটি দরপত্রের মাধ্যমে, একটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায়, একটি স্বল্পমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে এবং চারটি সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে কেনা হয়েছিল। তবে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে কেনা চারটির কোনোটিই এখন পর্যন্ত আসেনি।
আরপিজিসিএল আরও জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ইউনিট এলএনজির দাম গতকাল প্রায় ২২ ডলার ছিল। তবে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে কেনা সরবরাহকারীরা প্রতি ইউনিটের জন্য যথাক্রমে ১৫ দশমিক ৫০ ডলার এবং ১৪ দশমিক ৯৫ ডলার দাম প্রস্তাব করেছিল। সরবরাহকারীরা সময় পিছিয়ে সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরে সরবরাহের অনুমতি চাইতে পারে বলে জানা গেছে।
"সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে ক্রয়াদেশ পাওয়া সরবরাহকারীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরিতে ব্যর্থ হয়েছে। তাদের জাহাজ আসতে পারেনি। আমরা ইতিমধ্যে দরপত্র আহ্বান করে নতুন এলএনজি জাহাজ আনার ব্যবস্থা নিয়েছি। সরবরাহ ধরে রাখা যাবে, কোনো সমস্যা হবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রতিমন্ত্রী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪টি (সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে কেনা কার্গো), ৯টি (আগস্টে আসার কথা ছিল কার্গো), ২২ ডলার (আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!