📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:১০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

লালপুরে পাটকাটায় ব্যস্ত কৃষকেরা, ভালো দামে স্বস্তির

লালপুরে পাটকাটায় ব্যস্ত কৃষকেরা, ভালো দামে স্বস্তির

📷 ছবি: দেশজোগ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Manab Zamin ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 উত্তম আবহাওয়া ও রোগবালাই কম থাকায় লালপুরে পাটের ভালো ফলন। প্রতি বিঘায় খরচ ২০ হাজার টাকা, আয় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। প্রতি মণ পাট বিক্রি হচ্ছে ৩৫০০ থেকে ৪০০০ টাকায়

লালপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে চলছে পাট কাটা ও প্রক্রিয়াজাতকরণের ব্যস্ততা। অনুকূল আবহাওয়া ও রোগবালাই কম থাকায় এবার পাটের ভালো ফলন হয়েছে। প্রতি বিঘায় উৎপাদন খরচ ২০ হাজার টাকা হলেও আয় হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 লালপুর উপজেলার দুড়দুড়িয়া, বিলমাড়িয়া, আড়বাব ও ওয়ালিয়া ইউনিয়নে চলছে পাট কাটা ও প্রক্রিয়াজাতকরণের ব্যস্ততা।
  • 📌 অনুকূল আবহাওয়া ও রোগবালাই তুলনামূলক কম থাকায় এবার পাটের ভালো ফলন হয়েছে।
  • 📌 প্রতি বিঘা জমিতে পাট চাষে খরচ হয়েছে প্রায় ২০ হাজার টাকা।
  • 📌 পাট ও পাটকাঠি বিক্রি করে প্রতি বিঘায় আয় হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা।
  • 📌 বর্তমানে প্রতি মণ পাট বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার টাকায়।

📰 বিস্তারিত

লালপুর উপজেলার দুড়দুড়িয়া, বিলমাড়িয়া, আড়বাব ও ওয়ালিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকেই পাট কাটা ও প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজে ব্যস্ত রয়েছেন কৃষকেরা। কেউ কাস্তে হাতে পাট কাটছেন, আবার কেউ কাটা পাটের আঁটি বাঁধছেন। পাশেই জাগ দেয়ার জন্য পানিতে নামানো হচ্ছে পাটের আঁটি। আবার কোথাও জাগ দেয়া পাট থেকে আঁশ ছাড়িয়ে রোদে শুকানো হচ্ছে। কয়েক মাসের শ্রম ও পরিচর্যার পর এখন মাঠ জুড়ে চলছে ‘সোনালি আঁশ’ ঘরে তোলার ব্যস্ততা।

উপজেলার কৃষকরা জানান, অনুকূল আবহাওয়া ও রোগবালাই তুলনামূলক কম থাকায় এবার পাটের ফলন ভালো হয়েছে। বর্তমানে প্রতি মণ পাট ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ দাম অব্যাহত থাকলে পাট চাষে ভালো লাভ হবে বলে আশা করছেন তারা। তাদের হিসাবে এ বছর প্রতি বিঘা জমিতে পাট চাষে খরচ হয়েছে প্রায় ২০ হাজার টাকা। পাট ও পাটকাঠি বিক্রি করে প্রতি বিঘায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় হচ্ছে। ফলে উৎপাদন খরচ বাদ দিয়েও ভালো লাভের সম্ভাবনা দেখছেন তারা।

বড়বড়িয়া গ্রামের কৃষক মো. বেলাল হোসেন (৪০) এবার পাঁচ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। তিনি মানবজমিনকে বলেন, গত দুই মৌসুমে পাটের ভালো দাম পেয়েছি। এবারো আবহাওয়া অনুকূলে ছিল। রোগবালাই কম হওয়ায় তেমন সমস্যায় পড়তে হয়নি। ফলন ভালো হয়েছে, দামও ভালো পাচ্ছি।

উধনপাড়া গ্রামের সাংবাদিক ও কৃষক মো. আলাউদ্দিন জালাল (৪৩) বলেন, ডিজেলের দাম বেশি হলেও রোগবালাই কম ছিল। প্রতি বিঘায় ভালো ফলন হয়েছে। তবে পাটের বাজার ব্যবস্থাপনা কার্যকর করা, বন্ধ পাটকল চালু এবং পাটের বহুমুখী ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে।

"গতবারের মতো এবারো পাটের ভালো দাম আছে। মানভেদে প্রতি মণ পাট সাড়ে তিন থেকে চার হাজার টাকায় ক্রয় করছি। এমন দাম অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছি।"

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে লালপুরের ১০টি ইউনিয়ন, একটি পৌরসভা ও পদ্মার চরাঞ্চলে ৮ হাজার ৬৬৫ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। গত মৌসুমের তুলনায় আবাদ বেড়েছে ১ হাজার ৯৫ হেক্টর। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ১৮ হাজার ৭৯১ বেল। সরকারি প্রণোদনার আওতায় ১ হাজার কৃষকের মধ্যে উন্নত পাটবীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: লালপুর উপজেলা, নাটোর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. বেলাল হোসেন, মো. আলাউদ্দিন জালাল, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রীতম কুমার হোড়
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ হাজার ৬৬৫, ১ হাজার ৯৫, ২০ হাজার, ৪০ থেকে ৫০ হাজার, ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖