📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:১০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দেশি শাড়ির ব্র্যান্ড ‘খুঁত’-এর উত্থান: অনলাইন থেকে শুরু হলেও এখন দোকানের আবহেই মিলছে স্বস্তি

দেশি শাড়ির ব্র্যান্ড ‘খুঁত’-এর উত্থান: অনলাইন থেকে শুরু হলেও এখন দোকানের আবহেই মিলছে স্বস্তি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 অনলাইন থেকে যাত্রা শুরু করলেও দেশি শাড়ির ব্র্যান্ড ‘খুঁত’ এখন ক্রেতাদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে নিজস্ব দোকানের পরিবেশ ও হাতে তৈরি শাড়ির মানসম্পন্নতার কারণে। ২০১৭ সালে যাত্রা শুরু করা এই ব্র্যান্ডের শাড়িগুলো তৈরি হয় দেশি সুতা ও হাতে বোনা কাপড়ে

দেশি শাড়ির ব্র্যান্ড ‘খুঁত’ এখন ক্রেতাদের কাছে পরিচিতি পেয়েছে নিজস্ব দোকানের পরিবেশ ও হাতে তৈরি শাড়ির মানসম্পন্নতার কারণে। অনলাইন থেকে যাত্রা শুরু করলেও ধীরে ধীরে তারা স্থান পেয়েছে ধানমন্ডি, লালমাটিয়া ও বনানীতে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ‘খুঁত’ ব্র্যান্ডের যাত্রা শুরু ২০১৭ সালে দুই ডিজাইনারের হাত ধরে
  • 📌 প্রথম শাড়ি ‘লাল’ বিক্রি হতে সময় লাগে মাত্র ১০ দিন, যেখানে ধারণা ছিল এক মাস
  • 📌 খুঁতের শাখা রয়েছে ধানমন্ডি ২৭ নম্বর, লালমাটিয়ার ব্লক ডি–এর ৯/৪ নম্বর ও বনানীর ব্লক ই-এর ১৩/সি নম্বর রাস্তার ৯৬ নম্বর বাড়িতে
  • 📌 প্রতি শাড়ি তৈরিতে ব্যবহৃত হয় ৮০ থেকে ১২০টি কাপড়, বর্তমানে প্রতি শাড়িতে ২০০ পিস পর্যন্ত রাখার চেষ্টা চলছে
  • 📌 ব্র্যান্ডটির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত রয়েছেন ৩০ থেকে ৪০ জন কর্মী, সারা দেশে তাঁত ও হাতের কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ৫০০ থেকে ৬০০ মানুষ

📰 বিস্তারিত

ফারহানা হামিদ ও ঊর্মিলা শুক্লা নামের দুই ডিজাইনার শুরু করেছিলেন ‘খুঁত’ ব্র্যান্ডটি। তাঁদের যাত্রা শুরু হয়েছিল অনলাইন থেকে। প্রথম দিকে তাঁরা মাটির মালা বিক্রি করলেও পরবর্তীতে লাল রঙের শাড়ি তৈরির মাধ্যমে ব্র্যান্ডটির ভিত্তি স্থাপন করেন। প্রথম শাড়ি ‘লাল’ বিক্রি হতে সময় লাগে মাত্র ১০ দিন, যেখানে তাঁদের ধারণা ছিল এক মাস সময় লাগবে।

ক্রেতাদের চাহিদা দেখে তাঁরা বুঝতে পারেন যে দেশি শাড়ির বাজারে একটি অভাব রয়েছে। সেই অভাব দূর করতেই তাঁরা প্রতিষ্ঠা করেন ‘খুঁত’। অনলাইনে ভালো সাড়া পাওয়ার পর তাঁরা মেলায় অংশ নিতে শুরু করেন। সেখানে ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে তাঁরা বুঝতে পারেন যে ক্রেতারা আরও বৈচিত্র্যময় শাড়ির জন্য অপেক্ষা করছেন।

২০১৯ সালে ধানমন্ডির একটি রেস্তোরাঁর সঙ্গে ছোট্ট একটা কোনায় খুঁতের প্রথম দোকান চালু হয়। পরবর্তীতে স্থান পরিবর্তন করে লালমাটিয়া ও বনানীতে তাঁরা তাঁদের শাখা সম্প্রসারণ করেন। লালমাটিয়ার ব্লক ডি–এর ৯/৪ নম্বর ও বনানীর ব্লক ই-এর ১৩/সি নম্বর রাস্তার ৯৬ নম্বর বাড়িতে বর্তমানে খুঁতের অবস্থান।

"খুঁত শুধু একটি দোকান নয়, এখানে আসার পর ক্রেতারা দোলনায় বসা, কিছুক্ষণ বসে খাওয়াদাওয়া—সব মিলিয়ে অতিথি আপ্যায়নের মতো অনুভূতি পান। ক্রেতাদের এই আবেগই আমাদের অনুপ্রেরণা।"

খুঁতের শাড়িগুলো তৈরি হয় দেশি সুতা ও হাতে বোনা কাপড়ে। প্রতিটি শাড়ি তৈরিতে সময় লাগে প্রচুর, কারণ হাতের সেলাই, ব্লক ও তাঁতে বোনার কাজ করতে হয়। শুরুতে প্রতি শাড়িতে ৮০টি কাপড় ব্যবহৃত হতো, কিন্তু ক্রেতাদের চাহিদা বাড়ায় তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২০টিতে। গত মাস থেকে প্রতিটি শাড়িতে ২০০ পিস পর্যন্ত রাখার চেষ্টা চলছে।

খুঁতের সবচেয়ে জনপ্রিয় শাড়িগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘মায়াবতী’, ‘পাতা’, ‘গোধূলি’, ‘জারুল’, ‘বাহারি’ ও ‘গল্পকথা’। ব্র্যান্ডটির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত রয়েছেন ৩০ থেকে ৪০ জন কর্মী। সারা দেশে তাঁত ও হাতের কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ৫০০ থেকে ৬০০ মানুষ।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ধানমন্ডি, লালমাটিয়া, বনানী
  • 👥 প্রধান ব্যক্তি: ফারহানা হামিদ, ঊর্মিলা শুক্লা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ দিন, ২৭, ৯/৪, ১৩/সি, ৯৬, ৮০, ১২০, ২০০, ৩০–৪০, ৫০০–৬০০

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖