📌 চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ৬.১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু উচ্চমূল্যের পণ্যের রপ্তানি ধীরগতিতে বাড়ছে। মৌলিক পোশাকের উপর নির্ভরতা বেড়েছে এবং কিছু উচ্চমূল্যের পণ্যের রপ্তানি কমেছে
চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ৬.১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এই বৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হলো মৌলিক পোশাকের রপ্তানি, যেখানে উচ্চমূল্যের পণ্যের অংশ বাড়ানোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায়নি। বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের (বিএভি) প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন রুবেলের বিশ্লেষণে এই তথ্য উঠে এসেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১ হাজার ৫৮ কোটি ডলার রপ্তানি হয়েছে চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬০ কোটি ৮০ লাখ ডলার বেশি
- 📌 মৌলিক পোশাকের রপ্তানি বৃদ্ধির ৯৪ শতাংশ অংশ এসেছে ট্রাউজার, সোয়েটার ও টি-শার্ট থেকে
- 📌 উচ্চমূল্যের পোশাকের রপ্তানি মাত্র ১.৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে গাউন ও স্যুটের রপ্তানি ১০-১৪ শতাংশ কমেছে
- 📌 শিশুদের পোশাকের রপ্তানি বৃদ্ধির হার সর্বোচ্চ ১০.১৯ শতাংশ, কিন্তু মোট রপ্তানির অংশ মাত্র ৩০ কোটি ডলার
- 📌 মোট পোশাক রপ্তানিতে মৌলিক পোশাকের অংশ বেড়েছে ৭৮.০৬ শতাংশ থেকে ৭৭.০৮ শতাংশ পর্যন্ত
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের (বিএভি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন রুবেলের বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) দেশের পোশাক রপ্তানি ১ হাজার ৫৮ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ৯৯৭ কোটি ডলার। এই ৬ দশমিক ১০ শতাংশ বৃদ্ধির মধ্যে মৌলিক পোশাকের রপ্তানি ৫৭ কোটি ৩০ লাখ ডলার অবদান রেখেছে, যা মোট বৃদ্ধির প্রায় ৯৪ শতাংশ। মৌলিক পোশাকের মধ্যে ট্রাউজার বা প্যান্ট, সোয়েটার ও কার্ডিগান এবং টি-শার্ট ও ভেস্টের রপ্তানি বৃদ্ধির হার সর্বোচ্চ। এই তিন পণ্য থেকে রপ্তানি বেড়েছে যথাক্রমে ২০ কোটি ১০ লাখ, ১৭ কোটি ৮০ লাখ ও ১০ কোটি ৪০ লাখ ডলার।
অন্যদিকে, উচ্চমূল্যের পোশাকের রপ্তানি বাড়ছে ধীরগতিতে। উন্নত শ্রেণির পোশাকের রপ্তানি মাত্র ১ দশমিক ৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, মোট ১৪৮ কোটি ডলারে। গাউনজাতীয় পোশাক (ফ্রক, লম্বা গাউন) রপ্তানি কমেছে ১০ দশমিক ৬৬ শতাংশ, স্পোর্টসওয়্যার ও অ্যাকটিভওয়্যারের ১১ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং স্যুট ও এনসেম্বলের ১৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ। মোট পোশাক রপ্তানিতে উন্নত শ্রেণির পণ্যের অংশ ১৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ থেকে কমে ১৩ দশমিক ৯৮ শতাংশ হয়েছে।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, শিশুদের পোশাকের রপ্তানি বৃদ্ধির হার সর্বোচ্চ ১০ দশমিক ১৯ শতাংশ, তবে মোট রপ্তানির অংশ মাত্র ৩০ কোটি ডলার। অন্যদিকে, আধা মৌলিক পোশাকের রপ্তানি (শার্ট ও ব্লাউজ) বেড়েছে মাত্র ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ, কিন্তু মোট রপ্তানিতে তাদের অংশ কমেছে ৮ দশমিক ৩০ শতাংশ থেকে ৭ দশমিক ৯৬ শতাংশে।
"মৌলিক পোশাকের উপর নির্ভরতা বাড়ছে, উচ্চমূল্যের পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায়নি। এতে পণ্যের বৈচিত্র্য ও মূল্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মহিউদ্দিন রুবেল (বিএভি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার ৫৮ কোটি ডলার (রপ্তানি), ৬.১০ শতাংশ (বৃদ্ধি), ৯৪ শতাংশ (মৌলিক পোশাকের অবদান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!