📌 শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষাকে শিল্পের চাহিদাভিত্তিক করতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো হবে। কারিকুলাম সংস্কার, ল্যাব শক্তিশালীকরণ ও শিক্ষক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষাকে শিল্পের চাহিদাভিত্তিক করতে চীনের অভিজ্ঞতা অনুসরণ করা হবে। সোমবার দুপুরে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি কারিগরি শিক্ষার দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কারিগরি শিক্ষাকে শিল্পের চাহিদাভিত্তিক করতে চীনের মডেল অনুসরণের ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর
- 📌 কারিকুলাম সংস্কার, ল্যাব শক্তিশালীকরণ ও শিক্ষক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির পরিকল্পনা
- 📌 চীনের শিল্প-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংযোগের মডেল অনুসরণ করে বাংলাদেশেও একই ধরনের ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ
- 📌 কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক শিক্ষকের পদ রয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী
- 📌 চীনা ভাষা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে চীনা প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা
📰 বিস্তারিত
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষাকে শিল্পের চাহিদাভিত্তিক করতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো হবে। তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ। জনসংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে মানবসম্পদে রূপান্তর করতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।’
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষা খাতে বাজেট বৃদ্ধির পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। চীনের শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিদ্যমান সংযোগ ব্যবস্থা বাংলাদেশেও প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার। কারণ চীনের বিভিন্ন কোম্পানি বিশ্বজুড়ে কাজ করছে এবং তাদের বিপুল দক্ষ জনশক্তির প্রয়োজন রয়েছে।’
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কারিগরি শিক্ষার দুর্বলতাগুলো সরকার চিহ্নিত করেছে। অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি কারিকুলাম পরিবর্তন, ল্যাব শক্তিশালীকরণ এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। চীনে গিয়ে দেখা গেছে, দেশটির কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ শিল্পের চাহিদাভিত্তিক। সেখানে কারিকুলাম থেকে শুরু করে ল্যাব ও শিক্ষকসহ সবকিছু একটি সমন্বিত ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে।’
‘দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির জন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে কারিগরি শিক্ষার প্রতিষ্ঠান, প্রশিক্ষণ, কারিকুলাম ও শিল্পের চাহিদাকে একসঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।’
কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই কারিগরি শিক্ষা খাতে বিপুলসংখ্যক শিক্ষকের পদ রয়েছে। বিভিন্ন খাতে হাজার হাজার শিক্ষকের পদ রয়েছে এবং এসব নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়মিত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করতে হয়। সরকার বিষয়টি সমন্বয় করছে।’
চীনা ভাষাকে কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সব জায়গায় একই ভাষা চালু করার পরিকল্পনা নেই। যে দেশে যে ভাষার প্রয়োজন, সেই অনুযায়ী ভাষা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। যেখানে জাপানি কোম্পানি বেশি, সেখানে জাপানি ভাষা এবং যেখানে দক্ষিণ কোরীয় বা আরব দেশের প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বেশি, সেখানে সংশ্লিষ্ট ভাষাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: বিপুলসংখ্যক শিক্ষকের পদ রয়েছে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!