📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সারের মজুত নিয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থান: কৃষকের ভোগান্তি দূর করতে কঠোর পদক্ষেপ

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: জাহেদ উর রহমান জাহেদ উর রহমান
সারের মজুত নিয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থান: কৃষকের ভোগান্তি দূর করতে কঠোর পদক্ষেপ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সারের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন সরকারের তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি জানান, দেশে বর্তমানে ১৩ লাখ ৬৫ হাজার টন সারের মজুত রয়েছে। একইসঙ্গে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও সারের আমদানি প্রক্রিয়া চলছে

দেশে সারের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, ‘ক্ষেত্র বিশেষে বিতরণ প্রক্রিয়ার কিছু সমস্যা থাকলেও সরকার তা দ্রুত সমাধানে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।’ আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সরকারের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দেশে সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন ডা. জাহেদ উর রহমান
  • 📌 গত ২৪ আগস্ট সরকারি ক্রয় কমিটির বৈঠকে ৩ লাখ ৬৫ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে
  • 📌 ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমওপিসহ মোট ১৩ লাখ ৬৫ হাজার টন সারের মজুত রয়েছে দেশে
  • 📌 কিছু ডিলারের বরাদ্দকৃত সার সময়মতো না তোলায় সাময়িক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, যার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে
  • 📌 সরকার বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রেখে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সারের সরবরাহ ব্যবস্থা জোরদার করছে

📰 বিস্তারিত

সরকারের তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, দেশে সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং কৃষকদের যাতে কোনো ভোগান্তি না হয় সেজন্য ইতিমধ্যে বিপুল পরিমাণ সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গত ২৪ আগস্ট সরকারি ক্রয় কমিটির বৈঠকে ৩ লাখ ৬৫ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়। এর আগে কানাডা, রাশিয়া ও সৌদি আরব থেকে আরও ১ লাখ ১৫ হাজার মেট্রিক টন সার ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

বর্তমানে দেশে ইউরিয়া ৪.৮২ লাখ টন, টিএসপি ৩.৬৯ লাখ টন, ডিএপি ৩.৬৮ লাখ টন এবং এমওপি ১.৪৬ লাখ টনসহ মোট ১৩ লাখ ৬৫ হাজার টন সারের মজুত রয়েছে বলে জানান তিনি। এছাড়া আরও বিপুল পরিমাণ সার আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আমদানির অপেক্ষায় রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বিতরণ ব্যবস্থার অসংগতি নিয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, কিছু ডিলার সময়মতো বরাদ্দকৃত সার না তোলায় সাময়িক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বদলি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে। তিনি আরও জানান, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রেখে সরকার দেশকে খাদ্য নিরাপত্তার বলয়ে রাখতে সারের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করছে।

‘দেশে সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। কৃষকদের যেন কোনো ভোগান্তি না হয়, সে লক্ষ্যে ইতিমধ্যে প্রচুর সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সচিবালয়, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. জাহেদ উর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ লাখ ৬৫ হাজার টন (সারের মজুত)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ লাখ ৬৫ হাজার মেট্রিক টন (সরকারি ক্রয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖