📌 গাজীপুরের শ্রীপুরের উদ্যোক্তা আব্দুস ছাত্তার ভূঁইয়া বিদেশি প্রযুক্তিতে কাঁঠালের বিস্কুট উৎপাদন শুরু করেছেন। পরীক্ষামূলকভাবে উৎপাদিত বিস্কুটের দৈনিক বিক্রয় ২০ থেকে ২৫ কেজি। আগামী বছর আরও নতুন পণ্য উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে
গাজীপুরের শ্রীপুরের উদ্যোক্তা আব্দুস ছাত্তার ভূঁইয়া বিদেশি প্রযুক্তিতে পাকা কাঁঠালের রস দিয়ে বিস্কুট উৎপাদন শুরু করেছেন। পরীক্ষামূলকভাবে উৎপাদিত এই বিস্কুট ইতিমধ্যেই স্থানীয় বাজারে সাড়া ফেলেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 উদ্যোক্তা আব্দুস ছাত্তার ভূঁইয়া শ্রীপুরের বৈরাগিরচালা গ্রামের বাসিন্দা
- 📌 দুই মাস ধরে কাঁঠালের রস দিয়ে বিস্কুট উৎপাদনের পরীক্ষামূলক কাজ চলছে
- 📌 প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ কেজি বিস্কুট বিক্রি করা হচ্ছে
- 📌 আগামী বছর ড্রাই কেক, রশি ও চিপস তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 গাজীপুরে প্রায় ৮ হাজার ৫০২ হেক্টর জমিতে কাঁঠাল চাষ হয়
- 📌 বিস্কুটের মূল্য প্রতি কেজি ৮৫০ টাকা
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বৈরাগিরচালা গ্রামের উদ্যোক্তা আব্দুস ছাত্তার ভূঁইয়া বিদেশি প্রযুক্তিতে কাঁঠালের বিস্কুট উৎপাদন শুরু করেছেন। মৌসুমে কাঁঠালের দাম কমে যাওয়ায় প্রচুর পরিমাণে কাঁঠাল নষ্ট হয়ে যায়। এই সমস্যা সমাধানে তিনি কাঁঠালের রস দিয়ে বিস্কুট তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠান মোমতাহিনা ফুড অ্যান্ড অয়েল মিলসে দুই মাস ধরে পরীক্ষামূলকভাবে এই বিস্কুট উৎপাদন করা হচ্ছে।
উদ্যোক্তা আব্দুস ছাত্তার ভূঁইয়া জানান, বিদেশ ভ্রমণের সময় তিনি বিভিন্ন দেশে স্থানীয় ফল-ফসল থেকে তৈরি খাদ্যপণ্য দেখেছেন। তাঁর এলাকায় কাঁঠালের প্রচুর উৎপাদন হলেও সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় তা নষ্ট হয়ে যায়। বিদেশি প্রযুক্তি ও পরামর্শে তিনি নিজেই কাঁঠালের বিস্কুট উৎপাদন শুরু করেন। তিনি আরও জানান, আগামী বছর বিস্কুট ছাড়াও ড্রাই কেক, রশি ও চিপস তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
কাঁঠালের বিস্কুট তৈরির প্রক্রিয়া সম্পর্কে কারখানার কর্মী মানিক মিয়া জানান, বিস্কুট তৈরিতে ব্যবহারের জন্য কাঁঠাল খুব যত্ন করে বাছাই করা হয়। মিষ্টতা ও জাত দেখেই উপযুক্ত কাঁঠাল নির্বাচন করা হয়। পাকা কাঁঠাল থেকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় রস বের করে তা দিয়ে বিস্কুট তৈরি করা হয়। এরপর বিস্কুটগুলো বড় ওভেনে ২৫ থেকে ৩০ মিনিট ধরে বেক করা হয়। তারপর ঠান্ডা করে প্যাকেটজাত করা হয়।
"পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দেখেছি তাদের নিজেদের স্থানীয় ফল-ফসল থেকে তারা খাদ্যপণ্য উৎপাদন করছে। আমাদের এলাকায় কাঁঠাল রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন হয়। ফলটির পুষ্টিগুণ থাকলেও সংরক্ষণ করার উদ্যোগ নেই। বিদেশে দেখে আসা প্রযুক্তি ও পরামর্শে অবশেষে নিজেই কাঁঠালের বিস্কুট উৎপাদন শুরু করি। এখন দেখছি এর চাহিদা অনেক। আপাতত পরীক্ষামূলক হলেও আগামী বছর বিস্কুট ছাড়াও অন্যান্য খাদ্য তৈরির উদ্যোগ নেব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুর জেলা, শ্রীপুর উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুস ছাত্তার ভূঁইয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ থেকে ২৫ কেজি (দৈনিক বিক্রয়), ৮৫০ টাকা (প্রতি কেজি মূল্য), ৮ হাজার ৫০২ হেক্টর (কাঁঠাল চাষের জমি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!