📌 বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান জানিয়েছেন, পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্তি ও সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে বাজারকে আধুনিকায়ন করা হবে। ডিএসই, সিএসই, সিডিবিএল ও সিসিবিএলের জন্য নতুন বিধি প্রণয়ন এবং টি+১ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে
ঢাকার নিকুঞ্জ-২ এলাকায় অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান জানিয়েছেন, পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্তি ও সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে বাজার ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই), সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) এবং সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি বাংলাদেশ লিমিটেডকে (সিসিবিএল) সরাসরি তালিকাভুক্তির আওতায় আনতে কাজ চলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান জানান, পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্তির কাঠামো চালুর উদ্যোগ চলছে
- 📌 ডিএসই, সিএসই, সিডিবিএল ও সিসিবিএলের জন্য নতুন বিধি প্রণয়নের কাজ এগিয়ে চলছে
- 📌 আগামী এক মাসের মধ্যে আইপিও-সংক্রান্ত নতুন বিধি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 টি+১ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা চালুর জন্য বছরের শেষ নাগাদ রোডম্যাপ প্রস্তুত করা হয়েছে
- 📌 সিসিবিএলের বোর্ড পুনর্গঠনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ চলছে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান বলেন, পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্তি ও সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে বাজার ব্যবস্থাপনা আরও গতিশীল করা হবে। তিনি জানান, ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
মাসুদ খান উল্লেখ করেন, কোনো কোম্পানি তার মোট মূলধনের ১০ শতাংশ বাজারে ছাড়লে এর একটি অংশ নতুন শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহ এবং অন্য অংশ বিদ্যমান শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে বাজারে ছাড়তে পারে। তিনি বলেন, এ ধরনের ‘হাইব্রিড’ ব্যবস্থা চালু হলে কোম্পানি নতুন মূলধন সংগ্রহ করতে পারবে এবং বিদ্যমান শেয়ারধারীরাও শেয়ার বিক্রির সুযোগ পাবেন।
বিএসইসি চেয়ারম্যান জানান, আগামী এক মাসের মধ্যে আইপিও-সংক্রান্ত নতুন বিধি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, ভালো কোম্পানি বাজারে আসা শুরু করলে পুঁজিবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে। সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে উপযুক্ত কোম্পানিকে বাজারে আনার বিষয়টিও সেই লক্ষ্যেই করা হচ্ছে।
"পুঁজিবাজারে নতুন মূলধন সংগ্রহ এবং বিদ্যমান শেয়ার বিক্রির সুযোগকে একসঙ্গে আনার একটি ‘হাইব্রিড’ ব্যবস্থা নিয়েও কাজ করছে কমিশন। কোনো কোম্পানি তার মোট মূলধনের ১০ শতাংশ বাজারে ছাড়লে এর একটি অংশ নতুন শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহ এবং অন্য অংশ বিদ্যমান শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে বাজারে ছাড়তে পারে।"
মাসুদ খান জানান, সিসিবিএলের বোর্ড পুনর্গঠনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ চলছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে সিসিবিএল গঠন করা হলেও দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম কার্যকরভাবে এগোয়নি। নতুন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর ডিএসইসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে সিসিবিএলের বোর্ড পুনর্গঠন করা হতে পারে বলে তিনি জানান।
তিনি আরও জানান, লেনদেনের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, ক্লিয়ারিং ও সেটেলমেন্ট ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সিসিবিএলের কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন। লেনদেন নিষ্পত্তির সময় কমিয়ে টি+১ চালুর উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বছরের শেষ নাগাদ টি+১ চালুর চেষ্টা থাকবে। একই সঙ্গে স্ক্রিপ্ট নেটিং চালুর কাজও এগিয়ে চলছে বলে তিনি জানান।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিকুঞ্জ-২, ঢাকা
- 👥 প্রধান ব্যক্তি: বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ শতাংশ (মূলধনের অংশ), ১ মাস (বিধি প্রণয়নের সময়সীমা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!