📌 পদ্মার পানি বৃদ্ধির ফলে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার ১৫টি চরে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। ডুবে গেছে পাকা সড়ক। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গত এক সপ্তাহ ধরে ক্রমাগত বাড়ছে পদ্মার পানি। চরাঞ্চলের মানুষের জীবিকা ও নিরাপত্তা নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম সংকট
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পদ্মা নদীর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধির ফলে চরাঞ্চলের ১৫টি গ্রামের মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে পদ্মার পানি অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। এরই মধ্যে চকরাজাপুর-খয়েরহাট খেয়াঘাট সড়কের একটি অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। কোথাও কোথাও সড়কের ওপর হাঁটুসমান পানি জমেছে। ফলে ঝুঁকি নিয়ে স্থানীয়রা পানির মধ্য দিয়েই চলাচল করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পদ্মার পানি বৃদ্ধির ফলে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত ১৫টি চরে পানি ঢুকতে শুরু করেছে
- 📌 চকরাজাপুর-খয়েরহাট সড়কের একটি অংশ সম্পূর্ণ ডুবে গেছে এবং সড়কের ওপর হাঁটুসমান পানি জমেছে
- 📌 স্থানীয়দের মতে, গত এক সপ্তাহ ধরে পদ্মার পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে
- 📌 চরাঞ্চলের মানুষের জীবিকা নির্বাহ নির্ভর করে কৃষিকাজ ও মৎস্য শিকার হলেও বর্ষায় দেখা দিয়েছে ভয়াবহ সংকট
📰 বিস্তারিত
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পদ্মা নদীর পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলে চকরাজাপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত পলাশিফতেপুর, দাদপুর, চকরাজাপুর ও কালিদাসখালীসহ আরও ১৫টি চরের মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে পদ্মার পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এরই মধ্যে চকরাজাপুর-খয়েরহাট খেয়াঘাট সড়কের একটি অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। কোথাও কোথাও সড়কের ওপর হাঁটুসমান পানি জমেছে। ফলে স্থানীয়রা ঝুঁকি নিয়ে পানির মধ্য দিয়েই চলাচল করছেন।
চকরাজাপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগে থেকেই পদ্মার পানি বাড়তে শুরু করেছে। এখন পাকা রাস্তার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে লোকালয়ে ঢুকছে। বর্তমানে রাস্তার ওপর হাঁটুসমান পানি। এই পানির মধ্য দিয়েই মানুষ চলাচল করছে।’
কালিদাসখালী চরের কলেজশিক্ষার্থী আমিন ফয়সাল ও শুকতারা খাতুন জানান, ‘প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করেই চরে বসবাস করতে হয়। পদ্মায় পানি বাড়ায় আমরা আতঙ্কের মধ্যে আছি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহীর বাঘা উপজেলা, চকরাজাপুর ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডিএম মনোয়ার হোসেন বাবলু দেওয়ান (সাবেক চেয়ারম্যান), গোলাম মোস্তফা (শিক্ষক), আমিন ফয়সাল ও শুকতারা খাতুন (কলেজশিক্ষার্থী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫টি চর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!