📌 বাংলাদেশ ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা পুনর্গঠনে আবেদনের সময়সীমা ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে। একক প্রতিষ্ঠানের ঋণস্থিতি ১ হাজার কোটি টাকা বা তার বেশি হলে সর্বোচ্চ ১৫ বছর পর্যন্ত মেয়াদে পুনঃতফসিল সুবিধা দেওয়া হবে
ঢাকা: বাংলাদেশ ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসা ও আর্থিক পুনর্গঠনে আবেদনের সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে। এখন থেকে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে নতুন আবেদন করা যাবে। একই সঙ্গে কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপের ঋণের স্থিতি ১ হাজার কোটি টাকা বা তার বেশি হলে বিশেষ পুনঃতফসিলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১৫ বছর পর্যন্ত মেয়াদে ঋণ পুনঃতফসিল করা যাবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সার্কুলারে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের আবেদনের সময়সীমা ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি
- 📌 একক প্রতিষ্ঠানের ঋণস্থিতি ১ হাজার কোটি টাকা বা তার বেশি হলে বিশেষ পুনঃতফসিলে সর্বোচ্চ ১৫ বছর মেয়াদ
- 📌 বিশেষ পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত সর্বোচ্চ চার বছর পর্যন্ত মেয়াদ দেওয়া যাবে
- 📌 আবেদনের ক্ষেত্রে এসটিডি-০, এসটিডি-১, এসটিডি-২ ও এসএমএ শ্রেণীর অশ্রেণীকৃত ঋণ বিশেষ পুনর্গঠনের সুবিধা পাবে
- 📌 বিরূপভাবে শ্রেণীকৃত এসএস, ডিএফ ও বিএল ঋণের ক্ষেত্রে বিশেষ পুনঃতফসিলের সুবিধা দেওয়া যাবে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে সোমবার (৩১ আগস্ট) একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসা ও আর্থিক ব্যবস্থা পুনর্গঠনের জন্য নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর আগে বিআরপিডি সার্কুলার-৭/২০২৫-এর আওতায় আবেদনের শেষ সময় ছিল। নতুন নির্দেশনায় সেই সময় বাড়িয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ করা হয়েছে।
যেসব প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে নীতি সহায়তা পেয়েছেন, তাঁরাও নতুন করে আবেদন করতে পারবেন। কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপের ঋণস্থিতি ১ হাজার কোটি টাকা বা তার বেশি হলে বিশেষ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনের সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশেষ পুনঃতফসিলের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ ১৫ বছর পর্যন্ত মেয়াদ নির্ধারণ করা যাবে। আর বিশেষ পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নিয়মে নির্ধারিত মেয়াদের অতিরিক্ত সর্বোচ্চ চার বছর পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো যাবে।
অন্যদিকে, কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপের ঋণস্থিতি ১ হাজার কোটি টাকার কম হলে বিশেষ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে বিআরপিডি সার্কুলার-৭/২০২৫-এ নির্ধারিত মেয়াদই প্রযোজ্য হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের আগের সার্কুলার বা বাছাই কমিটির আওতায় যারা নীতি সহায়তা পেয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও নতুন সুবিধা প্রযোজ্য হবে।
"ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসা ও আর্থিক ব্যবস্থা পুনর্গঠনের নীতি সহায়তা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্যাংক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর, ৩০ সেপ্টেম্বর, ১ হাজার কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!