📌 বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে লুণ্ঠন, অপচয় ও অস্বচ্ছতা বন্ধ করে ভোক্তাদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্য নিশ্চিত করতে বিইআরসির সংস্কার দাবি করেছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। রাজধানীতে আয়োজিত মানববন্ধনে সংগঠনটি ১০ দফা দাবি তুলে ধরে
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিদ্যমান অস্বচ্ছতা, অদক্ষতা ও অন্যায্য মুনাফা বন্ধ করে ভোক্তাদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্য নিশ্চিত করতে বিইআরসির সংস্কার দাবি করেছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। সংগঠনটির অভিযোগ, লুণ্ঠন ও অপচয় বন্ধ করা গেলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম কমানো সম্ভব। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আইনি সংস্কারেরও দাবি জানায় তারা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অস্বচ্ছতা ও অযৌক্তিক ব্যয় বন্ধে বিইআরসির সংস্কার দাবি করেছে ক্যাব
- 📌 বিইআরসির স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আইনি সংস্কারের দাবি জানানো হয়েছে
- 📌 ক্যাবের অভিযোগ, বিইআরসি জনগণের স্বার্থের পরিবর্তে সরকার ও কোম্পানির স্বার্থ রক্ষা করছে
- 📌 মানববন্ধনে ক্যাবের পক্ষ থেকে ১০ দফা দাবি তুলে ধরা হয়
- 📌 বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে লুণ্ঠনমুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিদ্যমান অস্বচ্ছতা, অদক্ষতা ও অন্যায্য মুনাফা বন্ধ করে ভোক্তাদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্য নিশ্চিত করতে বিইআরসির সংস্কার দাবি করেছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। সংগঠনটির অভিযোগ, লুণ্ঠন ও অপচয় বন্ধ করা গেলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম কমানো সম্ভব। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আইনি সংস্কারেরও দাবি জানায় তারা।
রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে বাংলাদেশ নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিইআরসি বারবার জনগণের স্বার্থের পরিবর্তে সরকার ও কোম্পানির স্বার্থ রক্ষা করছে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতেও কমিশন কার্যকর ভূমিকা রাখছে না। তাঁর দাবি, বিইআরসির অপসারণ এখন গণদাবিতে পরিণত হয়েছে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ভোক্তা ও জনগণের কথা বিবেচনা না করে মুনাফাকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। গ্যাস ও বিভিন্ন উৎসের বিদ্যুৎ নিয়ে সরকার ও কোম্পানিগুলো যেভাবে জনগণের ওপর বোঝা চাপাচ্ছে, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রেও একই ধরনের ব্যবস্থা হলে জনগণের কোনো উপকার হবে না।
এদিকে বিইআরসিকে জনবান্ধব করার দাবি বারবার জানানো হলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। জনগণের অর্থে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলো কেন মুনাফাখোরদের সুরক্ষা দেওয়ার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হচ্ছে, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। এ অবস্থা চলতে থাকলে জনগণ আবারও রাস্তায় নামতে বাধ্য হবে বলে সতর্ক করেন রুহিন।
ক্যাব যুব সংসদের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী অরিত্র রোদ্দুর ধর বলেন, ক্যাপাসিটি চার্জসহ বিভিন্ন নামে দুর্নীতি ও অনিয়মের অর্থের বোঝা জনগণের ওপর চাপানো হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, বিদ্যুতের দাম কমানোর বিষয়ে বিইআরসি কার্যকর গণশুনানি আয়োজন করে না। তিনি বিইআরসি আইনের কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে কমিশনের স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়ানোর দাবি জানান।
"বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিদ্যমান অস্বচ্ছতা, অদক্ষতা ও অন্যায্য মুনাফা বন্ধ করে ভোক্তাদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্য নিশ্চিত করতে বিইআরসির সংস্কার দাবি করেছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ। লুণ্ঠন ও অপচয় বন্ধ করা গেলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম কমানো সম্ভব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মহিউদ্দিন আহমেদ, আলমগীর হোসেন, রুহিন হোসেন প্রিন্স, অরিত্র রোদ্দুর ধর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ (দফা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!