📌 চট্টগ্রামের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নয়ন অপরিহার্য। তিনি বলেন, এপিএম টার্মিনালসের বিনিয়োগে নির্মিতব্য এই টার্মিনাল পুরো অঞ্চলের প্রধান লজিস্টিকস কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে
চট্টগ্রাম, ৩০ আগস্ট ২০২৬: চট্টগ্রামের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নয়ন ও লজিস্টিকস সক্ষমতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, এপিএম টার্মিনালসের বিনিয়োগে নির্মিতব্য এই টার্মিনাল শুধু বাংলাদেশ নয়, পুরো অঞ্চলের প্রধান লজিস্টিকস কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নয়ন অপরিহার্য
- 📌 লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল প্রকল্পটি এপিএম টার্মিনালসের বিনিয়োগে নির্মিত হচ্ছে
- 📌 প্রকল্পটি পুরো অঞ্চলের প্রধান লজিস্টিকস কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী
- 📌 নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে
- 📌 অর্থমন্ত্রী জানান, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে অর্থনীতি পরিচালিত হবে
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রামের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নয়ন ও লজিস্টিকস সক্ষমতা বৃদ্ধি ছাড়া বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করা সম্ভব নয়। তিনি জানান, এপিএম টার্মিনালসের বিনিয়োগে নির্মিতব্য লালদিয়া টার্মিনাল শুধু বাংলাদেশের নয়, পুরো অঞ্চলের প্রধান লজিস্টিকস কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘প্রথমত, এটি আমার নিজের নির্বাচনী এলাকা। সর্বশেষ নির্বাচনে এই এলাকার মানুষ আমাকে নির্বাচিত করেছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘দ্বিতীয়ত, আমরা সবাই একটি বন্দরনগরীতে বেড়ে উঠেছি এবং চট্টগ্রামবাসীর হৃদয়ের কেন্দ্রে রয়েছে এই বন্দর। চট্টগ্রামের অর্থনীতি বন্দরের কর্মকাণ্ডকে ঘিরে আবর্তিত হয়। আর এ কারণেই চট্টগ্রামের মানুষ ব্যবসাবান্ধব হয়ে উঠেছে।’
সরকারের অর্থনৈতিক লক্ষ্যের কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এমন একটি সরকার পেয়েছি, যার উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক কর্মসূচি রয়েছে ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি। আমাদের অর্থনীতির আকার এখন ৫০০ বিলিয়ন ডলার। ২০৩৪ সালের মধ্যে এটিকে দ্বিগুণ করা অবশ্যই উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য।’ তিনি আরও বলেন, ‘তবে এই সরকার উচ্চাভিলাষী সরকার। আমাদের উচ্চাভিলাষী হতেই হবে। কারণ দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অর্থনীতির যে স্থবিরতা ছিল, সেটিই আমাদের উচ্চাভিলাষী হওয়ার বাধ্যবাধকতা তৈরি করেছে।’
বেসরকারি খাতের গুরুত্ব তুলে ধরে আমির খসরু বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধির মূল্যবোধের ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তাই বেসরকারি খাতের ওপর আমাদের অনেক আস্থা রয়েছে। অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি বেসরকারি খাত। সরকারের কাজ হলো এটিকে সহজতর করা, সক্ষম করে তোলা।’
‘এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির জন্য সর্বোত্তম লজিস্টিক সহায়তা, সর্বোত্তম বাণিজ্য সুবিধা এবং সর্বোত্তম বাণিজ্যনীতি ও প্রণোদনা প্রয়োজন। শেষ পর্যন্ত সরকারের সদিচ্ছাই এটিকে বাস্তবে পরিণত করবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রামের লালদিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: অর্থনীতি ৫০০ বিলিয়ন ডলার থেকে এক ট্রিলিয়ন ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!