📌 নাটোরে গ্যাস সিলিন্ডার মজুতের অপরাধে নসিব এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আকরাম হোসেন নসিবকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এনএসআই ও ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে অবৈধ মজুতের সিলিন্ডার বিক্রি করা হয় খুচরা বিক্রেতাদের কাছে
নাটোরে গ্যাস সিলিন্ডারের কৃত্রিম সংকটের পিছনে একটি ডিলারের অবৈধ মজুতের অপরাধ উন্মোচিত হয়। এনএসআই ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে নসিব এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আকরাম হোসেন নসিবকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নাটোর শহরের মাদ্রাসা মোড় এলাকায় গ্যাস ডিলার নসিব এন্টারপ্রাইজ অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুত রেখেছিল।
- 📌 ৫ অক্টোবর সোমবার বেলা ২টায় অভিযান চালিয়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
- 📌 ভোক্তা অধিকার আইনের ৪০ ধারা মোতাবেক জরিমানা করা হয়।
- 📌 মজুত সিলিন্ডার বিক্রি করা হয় খুচরা বিক্রেতাদের কাছে নির্ধারিত মূল্যে।
📰 বিস্তারিত
নাটোরের বাজারে গ্যাস সিলিন্ডারের তীব্র সংকটের পিছনে একটি ডিলারের অবৈধ মজুতের অপরাধ উন্মোচিত হয়। এনএসআই অনুসন্ধানের ভিত্তিতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নাটোরের সহকারী পরিচালক নাজমুল হোসেন অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে জানা যায়, নসিব এন্টারপ্রাইজ পর্যাপ্ত সিলিন্ডার থাকা সত্ত্বেও কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তা মজুত রেখেছিল।
সাধারণ ক্রেতারা গ্যাস কিনতে না পেরে ভোগান্তিতে পড়ছিলেন। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ ছিল, ডিলার পর্যায় থেকে তারা পর্যাপ্ত পরিমাণ সিলিন্ডার পাচ্ছেন না। এনএসআই অনুসন্ধান করে নিশ্চিত হয় যে, মাদ্রাসা মোড়ের নসিব এন্টারপ্রাইজ অবৈধভাবে গ্যাস মজুত রেখেছিল।
অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা আকরাম হোসেন নসিবকে ভোক্তা অধিকার আইনের ৪০ ধারা মোতাবেক ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। একই সঙ্গে গুদামে মজুত রাখা সব গ্যাস সিলিন্ডার খুচরা বিক্রেতাদের কাছে নির্ধারিত ও স্বাভাবিক মূল্যে বিক্রির নির্দেশ দেন।
"অবৈধভাবে গ্যাস মজুতের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় জরিমানা করা হয়েছে। গুদামে থাকা সিলিন্ডার বিক্রি করা হয়েছে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নাটোর শহর, মাদ্রাসা মোড়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আকরাম হোসেন নসিব, নাজমুল হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ হাজার টাকা (জরিমানা), ৪০ (ধারা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!