📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিআরটি প্রকল্পের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত: বিকল্প কর্মপরিকল্পনা খুঁজছে সরকারি কোম্পানি

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: তারেক রহমান তারেক রহমান
বিআরটি প্রকল্পের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত: বিকল্প কর্মপরিকল্পনা খুঁজছে সরকারি কোম্পানি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চার হাজার কোটি টাকার বিআরটি প্রকল্পের প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের পর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সরকারি কোম্পানি ডিবিআরটিপিএলসি বিকল্প কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে বাসনেট প্রকল্পের দায়িত্ব নিতে চেয়েছে। বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রকল্পটির পুনঃমূল্যায়ন চলছে

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, প্রায় চার হাজার কোটি টাকার বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত। প্রকল্পটির জন্য ইতোমধ্যে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বিআরটি প্রকল্প চালু, সাধারণ সড়কে রূপান্তর অথবা টোল সড়ক হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এই প্রস্তাবগুলোর সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করা হয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য বিষয়টি মন্ত্রিসভার আলোচনার অপেক্ষায় রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিআরটি প্রকল্পের ব্যয় ধাপে ধাপে বেড়ে চার হাজার ২৬৮ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে
  • 📌 প্রকল্পটির জন্য প্রথমে ব্যয় ধরা হয়েছিল দুই হাজার ৪০ কোটি টাকা
  • 📌 বিআরটি প্রকল্পের অধীনে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গাজীপুর পর্যন্ত ২৫টি স্টেশন নির্মাণ করা হয়েছে
  • 📌 ডিবিআরটিপিএলসি নামের সরকারি কোম্পানি বিকল্প কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে বাসনেট প্রকল্পের দায়িত্ব নিতে চেয়েছে
  • 📌 বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রকল্পটির পুনঃমূল্যায়নে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হয়েছে

📰 বিস্তারিত

বিআরটি প্রকল্পটি ২০১২ সালে শুরু হয়েছিল। প্রকল্পটির উদ্দেশ্য ছিল বিশেষ লেনে বিশেষ ধরনের বাস চালিয়ে মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থাকে দ্রুত ও নির্বিঘ্ন করা। প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা হয়েছিল চার বছর। তবে দীর্ঘ এক যুগেও প্রকল্পটির কাজ সম্পন্ন হয়নি। বারবার মেয়াদ বাড়ানোর পরও প্রকল্পটির কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার প্রকল্পটি সমাপ্ত ঘোষণা করে। পরবর্তীতে বিআরটি করিডর সাধারণ যানবাহনের জন্য খুলে দেওয়া হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির সরকার গঠনের পর বিআরটি প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে পর্যালোচনা শুরু হয়। প্রকল্পটির নকশা, স্টেশন ব্যবস্থাপনা, পরিচালন কাঠামো এবং যাত্রীসেবার বিষয়গুলো নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দুটি বিভাগের অধ্যাপকরা এই বিষয়ে মতামত দিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের একপক্ষ বিআরটি প্রকল্প চালুর পক্ষে মত দিয়েছেন। তাঁরা প্রকল্পটিকে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট করিডর হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছেন। অপরপক্ষ বিআরটির স্টেশনগুলো ভেঙে ফেলে সাধারণ সড়ক করার কিংবা বিকল্প টোল সড়ক করার মতামত দিয়েছেন। এই মতামতগুলোর ভিত্তিতে মন্ত্রণালয় সারসংক্ষেপ তৈরি করেছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য এই প্রস্তাবগুলোর সারসংক্ষেপ মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের অপেক্ষায় রয়েছে।

‘বিআরটি প্রকল্পের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রকল্পটি চালু, বাতিল নাকি অন্যভাবে এগোবে, তা অনিশ্চিত। তবে কোম্পানি হিসেবে আমরা পরিবহন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যবসার সুযোগ খুঁজছি। শুধু ‘বাসনেট’ নয়, আরও কয়েকটি বিষয়ে ডিটিসিএ–এর কাছে প্রস্তাব দিয়েছি।’ — মো. নুরুল আমিন খান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ডিবিআরটিপিএলসি

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা ও গাজীপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫টি স্টেশন, চার হাজার ২৬৮ কোটি টাকা ব্যয়

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖