📌 ইউরোপের দেশ গ্রিস উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশিদের কাছে ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তুলনামূলক কম টিউশন ফি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের কারণে এখানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ রয়েছে। আন্তর্জাতিক বৃত্তির পাশাপাশি পর্যটন ও ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনাও উজ্জ্বল
ইউরোপের অন্যতম পর্যটননির্ভর দেশ গ্রিস উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের জন্য ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। দেশটির ইন্টারন্যাশনাল হেলেনিক ইউনিভার্সিটিতে এনার্জি বিল্ডিং ডিজাইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর করছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী লিখন কুণ্ডু। তার অভিজ্ঞতা থেকে জানা গেছে, ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় গ্রিসে টিউশন ফি ও জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশ গ্রিসে উচ্চশিক্ষার সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশিদের জন্য
- 📌 সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরের টিউশন ফি ৫০০ থেকে ৫ হাজার ইউরোর মধ্যে
- 📌 বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বছরে টিউশন ফি ৬ হাজার ৫০০ থেকে ১০ হাজার ইউরো পর্যন্ত
- 📌 মাসিক জীবনযাত্রার ব্যয় সাশ্রয়ীভাবে চললে ৩০০ থেকে ৩৫০ ইউরো সম্ভব
- 📌 গ্রিসে পর্যটন, ইঞ্জিনিয়ারিং ও এনার্জি খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বেশি
📰 বিস্তারিত
গ্রিসের ইন্টারন্যাশনাল হেলেনিক ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী লিখন কুণ্ডু। তার মতে, ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় গ্রিসে উচ্চশিক্ষার ব্যয় তুলনামূলক কম হওয়ায় এটি বাংলাদেশিদের জন্য একটি আদর্শ গন্তব্য হয়ে উঠছে। দেশটির বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক।
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্নাতকোত্তরের জন্য টিউশন ফি সাধারণত ৫০০ থেকে ৫ হাজার ইউরোর মধ্যে থাকে। অন্যদিকে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে বছরে টিউশন ফি ৬ হাজার ৫০০ থেকে ১০ হাজার ইউরো পর্যন্ত হতে পারে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় ও বিষয়ভেদে এই ব্যয়ের তারতম্য দেখা যায়। ভর্তির সময়সীমাও প্রতিষ্ঠানভেদে আলাদা হলেও সাধারণত মার্চ থেকে জুলাই এবং নভেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে আবেদন করা যায়।
গ্রিসে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বৃত্তির সুযোগ পেয়ে থাকেন। এর মধ্যে রয়েছে আইকেওয়াই সরকারি বৃত্তি, বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক মেধাবৃত্তি, ইরাসমাস প্লাস ও ইরাসমাস মুন্ডুস বৃত্তি। এসব বৃত্তির মাধ্যমে টিউশন ফি ছাড়, মাসিক ভাতা, গবেষণা অনুদান এবং আবাসন সহায়তা পাওয়া যায়। এছাড়া শিক্ষার্থীরা কম খরচে খাবার ও পরিবহন সুবিধাও উপভোগ করতে পারেন।
"গ্রিসে উচ্চশিক্ষার ব্যয় ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক কম। আন্তর্জাতিক পরিবেশ ও ঐতিহাসিক সংস্কৃতির কারণে এখানে পড়াশোনা করা অত্যন্ত আনন্দদায়ক।"
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা গ্রিসে ইঞ্জিনিয়ারিং, এনার্জি, কম্পিউটার সায়েন্স, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান, ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট, এমবিএ, কৃষি, সাংবাদিকতা এবং সামাজিক বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ পান। বিশেষ করে ইঞ্জিনিয়ারিং, এনার্জি ও পর্যটনসংক্রান্ত বিষয়গুলোতে ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। তবে উচ্চশিক্ষার জন্য ভালো একাডেমিক ফলাফল এবং ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার প্রমাণ প্রয়োজন। এছাড়া শিক্ষকদের কাছ থেকে রেকমেন্ডেশন লেটার, ইউরোপাস সিভি, মোটিভেশন লেটার এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমের সনদ প্রস্তুত রাখতে হয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গ্রিস
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লিখন কুণ্ডু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ ইউরো থেকে ১০ হাজার ইউরো (টিউশন ফি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০ থেকে ৭০০ ইউরো (মাসিক জীবনযাত্রার ব্যয়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!