📅 ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:০৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বোয়িং থেকে ৪৫ হাজার কোটি টাকার বিমান কেনার দায় কার? যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির অর্থায়ন নিয়ে প্রশ্ন

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: তারেক রহমান তারেক রহমান
বোয়িং থেকে ৪৫ হাজার কোটি টাকার বিমান কেনার দায় কার? যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির অর্থায়ন নিয়ে প্রশ্ন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বোয়িং থেকে ১৪টি বিমান কেনার জন্য বাংলাদেশ সরকার প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করবে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন সমঝোতার অংশ হিসেবে আরও ১১টি বিমান কেনার আলোচনা চলছে। অর্থায়ন ও দায় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে

বাংলাদেশ সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের জন্য বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে। এই চুক্তির মূল্য প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন সমঝোতার অংশ হিসেবে আরও ১১টি বিমান কেনার আলোচনা চলছে। অর্থায়ন ও দায় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে, যার মূল্য প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা।
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া-বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর জানিয়েছেন, বাংলাদেশ আরও ১১টি বিমান কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে একটি অভূতপূর্ব সমঝোতা হয়েছে।
  • 📌 বিমানের বহরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের জন্য আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে ৭০ থেকে ৮০টি বিমান প্রয়োজন হতে পারে।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের জন্য বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে। এই চুক্তির মূল্য প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। চুক্তি অনুযায়ী, আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স বিমান সরবরাহ করা হবে। প্রথম বিমানটি ২০৩১ সালের নভেম্বরে এবং শেষ বিমানটি ২০৩৫ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া-বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর জানিয়েছেন, বাংলাদেশ আরও ১১টি বিমান কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই আলোচনা আগস্টের শেষ সপ্তাহেই দুই দেশের সরকারি পর্যায়ে শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে একটি অভূতপূর্ব সমঝোতা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গর।

বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মোট দামের শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ সাইনিং মানি হিসেবে দিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক ক্রয় ঋণের ব্যবস্থা করবে এবং বাংলাদেশ সরকার দেবে সার্বভৌম গ্যারান্টি।

"চলতি সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে একটি অভূতপূর্ব সমঝোতা হয়েছে। এর আওতায় বাংলাদেশ বোয়িংয়ের আরও উড়োজাহাজ কিনতে কয়েক শ কোটি ডলার ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ হাজার কোটি টাকা, ১৪টি বিমান, ১১টি বিমান

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖