📌 গাজীপুরের শ্রীপুরের শত বছরের পুরোনো বরমী বাজারে অবস্থিত ‘রুটিমহল’ নামক সরু গলিতে তন্দুর রুটির ব্যবসা শতাব্দী ধরে টিকে আছে। প্রতি বুধবার সাপ্তাহিক হাটের দিনে এখানে ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকে
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার শত বছরের পুরোনো বরমী বাজারে অবস্থিত ‘রুটিমহল’ নামক সরু গলিতে শতাব্দী ধরে টিকে আছে তন্দুর রুটির ঐতিহ্য। প্রতি বুধবার সাপ্তাহিক হাটের দিনে এখানে ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকে। স্থানীয় মানুষের কাছে পরিচিত এই গলিটি ‘রুটিমহল’ নামে পরিচিত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুরের শ্রীপুরের বরমী বাজারে অবস্থিত ‘রুটিমহল’ নামক সরু গলিতে শতাব্দী ধরে তন্দুর রুটির ব্যবসা চলছে
- 📌 বাজারের ফলপট্টির পাশের সরু গলিতে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৩টি রুটির দোকান রয়েছে
- 📌 প্রতি কেজি তন্দুর রুটির দাম ১২০ টাকা, দোকানে বসে খেতে চাইলে বড় রুটি ২০ টাকা ও ছোট রুটি ১০ টাকা করে বিক্রি হয়
- 📌 প্রতি হাটবারে তন্দুর রুটি বিক্রি হয় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার শত বছরের পুরোনো বরমী বাজারে অবস্থিত ‘রুটিমহল’ নামক সরু গলিতে শতাব্দী ধরে টিকে আছে তন্দুর রুটির ঐতিহ্য। স্থানীয় মানুষের কাছে পরিচিত এই গলিটি ‘রুটিমহল’ নামে পরিচিত। প্রতি বুধবার সাপ্তাহিক হাটের দিনে এখানে ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকে।
বাজারের ফলপট্টির পাশের সরু গলিতে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৩টি রুটির দোকান রয়েছে। এসব দোকানে বিক্রি হয় তন্দুর রুটি, যা বিক্রি হয় দাঁড়িপাল্লায় ওজন করে। বরমী গ্রামের কফিল উদ্দিনের দোকানে সকাল থেকেই ক্রেতাদের ভিড় দেখা যায়। তাঁর দোকানে সারি করে সাজানো থাকে রুটি ও জিলাপি। ক্রেতাদের ডাকাডাকিতে ব্যস্ত থাকেন তিনি।
দোকানের ভেতরে কয়েকটি বেঞ্চ পাতা থাকে। কোনো বেঞ্চেই জায়গা থাকে না। খাওয়া শেষ করে উঠলেই অপেক্ষায় থাকা আরেকজন বসছেন। কেউ আবার দাঁড়িয়ে জায়গা খালি হওয়ার অপেক্ষা করছেন। বাজার করতে আসা মানুষ যেমন এখানে নাশতা করেন, তেমনি কেউ কেউ বন্ধুবান্ধব নিয়ে আসেন শুধু তন্দুর রুটি খেতে। আবার অনেকেই রুটি কিনে নিয়ে যান পরিবারের সদস্যদের জন্য।
"বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এই বাজারে এলে রুটি কিনে বাড়ি নিয়ে যান। তবে কফিল উদ্দিনের দোকানের রুটির চাহিদা বেশি। অন্য জায়গাতেও তন্দুর রুটি তৈরি হয়, তবে বরমীর রুটির স্বাদ আলাদা। এটি নরম ও সুস্বাদু।"
কফিল উদ্দিনের দোকানে প্রতি কেজি তন্দুর রুটির দাম ১২০ টাকা। তবে দোকানে বসে খেতে চাইলে বড় রুটি ২০ টাকা ও ছোট রুটি ১০ টাকা করে বিক্রি হয়। রুটির সঙ্গে বিনা মূল্যে দেওয়া হয় ডাল, সবজি ও শুকনা মরিচের ভর্তা। এক কেজিতে বড় রুটি পাওয়া যায় সাতটি, আর ছোট রুটি পাওয়া যায় ১৩টির মতো।
শত বছর ধরে তাঁদের পরিবার এই ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। তাঁর দাদার পর বাবা, এরপর তিনি এই ব্যবসার হাল ধরেছেন। রুটি বিক্রি করেই তাঁর সংসার চলে। তবে তাঁর ভাষ্য, রুটি তৈরির সব উপকরণের দাম বেড়ে গেছে। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী আগের মতো বড় রুটি তৈরি করা সম্ভব হয় না। তারপরও তিনি আগের মতো রুটির স্বাদ ধরে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী বাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কফিল উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩টি (দোকান), ১২০ টাকা (প্রতি কেজি রুটির দাম), ২০-২৫ হাজার টাকা (প্রতি হাটবারে বিক্রয়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!