📌 বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি প্রতিষ্ঠায় অগ্রাধিকার দিচ্ছে। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জানান, উচ্চমূল্যের বায়োসিমিলার ও ভ্যাকসিন উৎপাদনে মনোযোগ দিতে হবে। দেশের ওষুধ শিল্পের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পাঁচ দফা নীতি প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে
বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি প্রতিষ্ঠায় অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, সরকার উচ্চমূল্যের ওষুধ উৎপাদনে মনোযোগ দিতে চায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিএনপি সরকারের অগ্রাধিকার হলো উচ্চমূল্যের এমপ্লয়মেন্ট তৈরি করা
- 📌 দেশের চাহিদার ৯৮ শতাংশ ওষুধ স্থানীয়ভাবেই উৎপাদিত হয়
- 📌 বিশ্বের ১৬৬টি দেশে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে
- 📌 ২০২৫ অর্থবছরে প্রায় ২১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ওষুধ রপ্তানি হয়েছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে ১১৮টি বায়োলজিকস ওষুধের পেটেন্টের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে
📰 বিস্তারিত
বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি প্রতিষ্ঠায় অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, সরকার উচ্চমূল্যের ওষুধ উৎপাদনে মনোযোগ দিতে চায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন সময় ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে আলোচনা করেছেন বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।
রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘জেনেরিক থেকে বায়োসিমিলার এবং ভ্যাকসিন: বায়োইকোনমির পথে বাংলাদেশের বায়োফার্মাসিউটিক্যাল ল্যান্ডস্কেপ তৈরি’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকটি আয়োজন করে ‘বায়োটেড’ এবং ‘সমরু বায়োসায়েন্স’।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জাতীয় অর্থনীতিতে ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রির অবদান রাখার বিশাল সুযোগ রয়েছে। তবে প্রকৃত প্রবৃদ্ধি দেখার আগে মানবসম্পদ উন্নয়ন করতে হবে। তিনি জানান, সরকার ইন্ডাস্ট্রি গ্রোথের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন দেবে।
বৈঠকে জানানো হয়, দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ ওষুধ স্থানীয়ভাবেই উৎপাদিত হয়। বিশ্বের ১৬৬টি দেশে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে। ২০২৫ অর্থবছরে প্রায় ২১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ওষুধ রপ্তানি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে ১১৮টি বায়োলজিকস ওষুধের পেটেন্টের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে ২৩২ বিলিয়ন ডলারের বেশি বায়োসিমিলার ওষুধের সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানান বক্তারা।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর একটি হোটেল, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৮ শতাংশ, ১৬৬টি দেশ, ২১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ১১৮টি, ২৩২ বিলিয়ন ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!