📌 বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নতুন আমদানি নীতিতে নিট ফেব্রিক আমদানির নিষেধাজ্ঞা বাতিলের দাবি জানিয়েছে। তারা বলেছে, বিদেশি ক্রেতাদের চাহিদা পূরণে ও উৎপাদন কার্যক্রমের জন্য এই আমদানির সুযোগ অবশ্যই থাকতে হবে
রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পের দুটি প্রধান সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) ও বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) নতুন আমদানি নীতিতে নিট ফেব্রিক আমদানির নিষেধাজ্ঞা বাতিলের দাবি জানিয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো পৃথক চিঠিতে তারা এই দাবি তুলে ধরেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নতুন আমদানি নীতির অনুচ্ছেদ ২৫-এর উপ-অনুচ্ছেদ ১২-এর বিধান বাতিলের দাবি জানিয়েছে, যেখানে নিট ফেব্রিক আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে
- 📌 মাহমুদ হাসান খান (বিজিএমইএ সভাপতি) বলেছেন, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের পরিবর্তিত চাহিদা পূরণে ও পণ্যের বৈচিত্র্য আনতে বিদেশ থেকে ফেব্রিক আমদানি প্রয়োজন
- 📌 মোহাম্মদ হাতেম (বিকেএমইএ সভাপতি) জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম বন্দরে ইতিমধ্যে আমদানির জন্য প্রস্তুত নিট ফেব্রিক রয়েছে, নতুন নীতির কারণে এগুলো ছাড় করানো সমস্যা সৃষ্টি করবে
- 📌 দুই সংগঠন বলেছে, গ্যাস সংকটসহ উৎপাদন সমস্যার কারণে রপ্তানিমুখী কারখানাগুলোকে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ অবশ্যই থাকতে হবে
- 📌 ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি ব্যবস্থার মাধ্যমে নিট কাপড় আমদানির সুযোগ বহাল রাখার দাবি উঠেছে
📰 বিস্তারিত
বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নতুন আমদানি নীতিতে নিট ফেব্রিক আমদানির নিষেধাজ্ঞা বাতিলের দাবি জানিয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে তারা বলেছে, আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯-এর অনুচ্ছেদ ২৫-এর উপ অনুচ্ছেদ ১২-এ ‘নিট ফেব্রিক আমদানি যোগ্য হবে না’—এমন বিধান রাখা হয়েছে।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান ১ সেপ্টেম্বর বাণিজ্যমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে বলেছেন, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের চাহিদা প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। এ কারণে পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে হয়। নির্ধারিত মান, ডিজাইন বজায় রাখা ও দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রয়োজন হয়। এসব কারণে অনেক ক্ষেত্রে বিদেশ থেকে নির্দিষ্ট ধরনের কাপড় সংগ্রহ করতে হয়। এ ধরনের আমদানির সুযোগ সীমিত হলে রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা আছে।
বিজিএমইএ বলেছে, বিদেশি ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী নির্দিষ্ট মান, সুনির্দিষ্ট ধরন, রং, ডিজাইন ও ধরনের কাপড় অনেক সময় স্থানীয়ভাবে পাওয়া যায় না। ফলে এসব ক্ষেত্রে বিদেশি উৎস থেকে ফেব্রিক আমদানি করতে হয়। নতুন নীতির সংশ্লিষ্ট বিধান বহাল থাকলে রপ্তানিকারকদের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সংগ্রহে জটিলতা তৈরি হবে।
বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেছেন, ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে খোলা আকাশের নিচে থাকা বিভিন্ন ধরনের আমদানিনির্ভর নিট কাপড় পৌঁছেছে। অনেক রপ্তানিকারক এসব ফেব্রিকের আমদানি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। নতুন নীতির কারণে এগুলো ছাড় করানো ও সংশ্লিষ্ট পণ্য রপ্তানিতে সমস্যা তৈরি হতে পারে। এতে রপ্তানি কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে।
দুই সংগঠনই বলেছে, বাংলাদেশে তৈরি পোশাক খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ থাকা জরুরি। বিশেষ করে গ্যাস সংকটসহ বিভিন্ন কারণে দেশের অনেক রপ্তানিমুখী কারখানা উৎপাদনে সমস্যার মুখে আছে। তারা ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নিট কাপড় আমদানির সুযোগ বহাল রাখার দাবি উঠিয়েছে।
"আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের চাহিদা প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। এ কারণে পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে হয়। নির্ধারিত মান, ডিজাইন বজায় রাখা ও দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রয়োজন হয়। এসব কারণে অনেক ক্ষেত্রে বিদেশ থেকে নির্দিষ্ট ধরনের কাপড় সংগ্রহ করতে হয়। এ ধরনের আমদানির সুযোগ সীমিত হলে রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা আছে।"
"বিদেশি ক্রেতাদের নির্দিষ্ট চাহিদা, নির্ধারিত মান ও ডিজাইনের পণ্য উৎপাদনের জন্য অনেক ক্ষেত্রে বিদেশ থেকে ফেব্রিক আমদানি প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে গ্যাস সংকটসহ বিভিন্ন কারণে দেশের অনেক রপ্তানিমুখী কারখানা উৎপাদনে সমস্যার মুখে আছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম বন্দর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহমুদ হাসান খান (বিজিএমইএ সভাপতি), মোহাম্মদ হাতেম (বিকেএমইএ সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: অনুচ্ছেদ ২৫-এর উপ অনুচ্ছেদ ১২, ১ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!