📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে ৪২টি শীর্ষ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের বিদেশে পাচার করা সম্পদ উদ্ধারে আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে ব্যাংকগুলো। ‘নো উইন, নো পে’ নীতিতে সম্পদ পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পরিচালিত হবে
বাংলাদেশ ব্যাংকের নেতৃত্বে ৪২টি শীর্ষ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের বিদেশে পাচার করা সম্পদ উদ্ধারের উদ্যোগ নিয়েছে ব্যাংকগুলো। বৈশ্বিক আটটি আন্তর্জাতিক আইনি ও পেশাদার পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে ব্যাংকগুলো। আজ রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ তথ্য উঠে আসে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪২টি প্রতিষ্ঠানের বিদেশে পাচার করা সম্পদ উদ্ধারে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে ব্যাংকগুলো।
- 📌 বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান ও ৩৮টি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকেরা।
- 📌 ‘নো উইন, নো পে’ নীতিতে সম্পদ পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র, চীন, কানাডা, মালয়েশিসহ বিভিন্ন দেশে এসব প্রতিষ্ঠানের সম্পদ পাচারের তথ্য মিলেছে।
- 📌 ২০০ কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণ রয়েছে এমন প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে বিদেশে পাচার করা সম্পদ উদ্ধারের উদ্যোগ নিয়েছে ব্যাংকগুলো। বৈশ্বিক আটটি আন্তর্জাতিক আইনি ও পেশাদার পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে ব্যাংকগুলো। আজ রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ তথ্য উঠে আসে। বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকেরা।
বৈঠকে জানানো হয়, বিদেশে সম্পদ উদ্ধারে যেসব ব্যাংক এখনো চুক্তিবদ্ধ হয়নি, তাদের দ্রুত তা সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ‘নো উইন, নো পে’ নীতিতে সম্পদ পুনরুদ্ধারের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এতে কোনো ব্যাংককে অগ্রিম অর্থ দিতে হবে না। বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব খরচে সম্পদ অনুসন্ধান করবে এবং উদ্ধার হওয়া সম্পদের একটি অংশ পারিশ্রমিক হিসেবে তাদের দিতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ তথ্য ব্যুরো (সিআইবি) ডাটাবেজ থেকে জানা যায়, ২০০ কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণ রয়েছে এমন ৪২টি প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের বিদেশে সম্পদ থাকার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে এসবি এক্সিম গ্রুপ, হাবিব গ্রুপ, ইয়াসীর গ্রুপ, এডব্লিউআর গ্রুপ, লিবার্টি গ্রুপ, প্রিমিয়ার গ্রুপ, লস্কর গ্রুপ ও সাদ মুসা গ্রুপ।
বৈঠকে উপস্থিত দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানায়, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, কানাডা, মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, নিউজিল্যান্ড, হংকং, থাইল্যান্ড, অস্টেলিয়া ও বেলজিয়ামে এসব প্রতিষ্ঠানের অর্থ পাচারের প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এসব দেশ থেকে পাচারের অর্থ-সম্পদ উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে।
"দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে চলে গেছে। এ অর্থ ফেরত আনতে ব্যাংকগুলো কাজ করছে। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, সে বিষয়েও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।"
"পাচার করা অর্থ কতটুকু ফেরত আনা যাবে, সেটি পরের বিষয়। তবে যারা অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িত, তারা যেন শাস্তি পায়, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য বিদেশে তাদের থাকা অর্থ জব্দ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে এ কাজে বিদেশি আইনি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ ব্যাংক, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোস্তাকুর রহমান (বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪২, ৩৮, ১০, ২০০
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!