📌 লালমনিরহাটের মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাই করতে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান ও দুর্যোগ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু পরিদর্শন করেন। বন্দর চালু হলে বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে নতুন গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে
লালমনিরহাটের ঐতিহ্যবাহী মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কে নতুন যুগের সূচনা হবে। এই সম্ভাবনাকে যাচাই করতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে নতুন গতি আসবে বলে প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান দাবি করেছেন।
- 📌 ১৯৮৮ সালের বন্যায় ধরলা নদীর রেলসেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে বন্দরটি কার্যক্রম স্থবির ছিল।
- 📌 বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বন্দর চালু করার জন্য সেতু, সড়ক, স্টেশন ও জনবল প্রস্তুত রয়েছে, তবে ভারতের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি প্রয়োজন।
- 📌 মোগলহাট স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নানসহ কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে বন্দরের অবস্থা পরিদর্শন করেছেন এবং প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছেন।
- 📌 উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালু করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান ও দুর্যোগ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু রোববার (৪ অক্টোবর) পরিদর্শন করেন। এই পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভায় বন্দরটির পুনরুজ্জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। প্রতিমন্ত্রী বলেন, মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কে নতুন গতি আসবে। এছাড়াও লালমনিরহাটসহ উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে বন্দরের ভৌত অবকাঠামো ও সার্বিক অবস্থা পরিদর্শন করেছেন। ওই পরিদর্শনের ভিত্তিতে একটি প্রতিবেদনও প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, বন্দরটি চালু করার জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে। নদীর ওপারে একটি সেতু, সড়ক, ছোট একটি স্টেশন ও প্রয়োজনীয় জনবল প্রয়োজন। এসব অবকাঠামো নির্মাণে সরকার প্রস্তুত রয়েছে। তবে এ বিষয়ে ভারতের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি প্রয়োজন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারত তাদের অংশে কার্যক্রম শুরু না করলে বাংলাদেশের পক্ষেও বন্দরটি চালু করা সম্ভব হবে না।
১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় ধরলা নদীর ওপর রেলসেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে মোগলহাট স্থলবন্দরের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকা এ স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ও আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। সরকার দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ ও কানেক্টিভিটি জোরদারের লক্ষ্যে মোগলহাটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বন্ধ ও পরিত্যক্ত স্থলবন্দরগুলো পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নিয়েছে।
"মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে। একই সঙ্গে লালমনিরহাটসহ এ অঞ্চলের অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মোগলহাট, লালমনিরহাট, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রাজিব আহসান (প্রতিমন্ত্রী), আসাদুল হাবিব দুলু (মন্ত্রী), মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান (চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!