📌 সরকার দেশে সার উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানিনির্ভরতা কমাতে বন্ধ তিনটি রাষ্ট্রীয় সার কারখানাকে নভেম্বরের মধ্যে চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে। ইউরিয়া আমদানি ব্যয়ে ২২ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় লক্ষ্য নিয়ে বিসিআইসি প্রযুক্তি আধুনিকায়ন ও নতুন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা করছে
সরকার দেশের সার উৎপাদন বৃদ্ধি ও আমদানিনির্ভরতা কমাতে বন্ধ তিনটি রাষ্ট্রীয় সার কারখানাকে আগামী নভেম্বরের মধ্যে পুনরায় চালু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) গ্যাস ও কাঁচামালের সংকট দূর করে কারখানাগুলোকে কার্যকর করার পাশাপাশি আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে বার্ষিক সার উৎপাদন ২৭ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের টিএসপি কমপ্লেক্স, ডিএপি ফার্টিলাইজার ও আশুগঞ্জের তিনটি কারখানা নভেম্বরে চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে
- 📌 ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় কারখানাগুলোতে উৎপাদিত ইউরিয়া ১১ লাখ ৭৩২ দশমিক ৫০ মেট্রিক টন, টিএসপি ৬৮ হাজার ২৫৯ মেট্রিক টন ও ডিএপি ৮২ হাজার ১৪২ মেট্রিক টন
- 📌 ইউরিয়া আমদানি ব্যয়ে ২২ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় লক্ষ্য নিয়ে সরকার পুরোনো কারখানার আধুনিকায়ন ও নতুন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা করছে
- 📌 বিসিআইসি চেয়ারম্যান মো. বাবুল মিঞা বলেছেন, আশুগঞ্জ কারখানায় উৎপাদন শুরু করতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে
- 📌 ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইউরিয়া আমদানি যথাক্রমে ১৬ লাখ ৪৪ হাজার ও ১৪ লাখ ৭৯ হাজার মেট্রিক টন
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) এর অধীন সাতটি সার কারখানার মধ্যে বর্তমানে চারটি কার্যকর অবস্থায় রয়েছে। গ্যাস ও কাঁচামালের সংকটে বন্ধ রয়েছে চট্টগ্রামের টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটেড (টিএসপিএল), ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড (এএফসিসিএল)।
বিসিআইসির চেয়ারম্যান মো. বাবুল মিঞা জানান, আশুগঞ্জ সার কারখানায় উৎপাদন শুরু করতে নিরবচ্ছিন্নভাবে নির্ধারিত চাপে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যদিকে, টিএসপি ও ডিএপি কারখানা চালুর জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে গ্যাস ও কাঁচামাল সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে নভেম্বরের মধ্যে কারখানাগুলো চালু করা সম্ভব হবে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় কারখানাগুলোতে উৎপাদিত ইউরিয়া ১১ লাখ ৭৩২ দশমিক ৫০ মেট্রিক টন, টিএসপি ৬৮ হাজার ২৫৯ মেট্রিক টন এবং ডিএপি ৮২ হাজার ১৪২ মেট্রিক টন। ওই অর্থবছরে দেশে ইউরিয়ার চাহিদা ছিল ২৬ লাখ মেট্রিক টন। দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমে ইউরিয়ার চাহিদার প্রায় ৪২ দশমিক ৩৪ শতাংশ পূরণ হয়েছে। টিএসপি ও ডিএপি সারের ক্ষেত্রে উৎপাদন দিয়ে যথাক্রমে ৯ দশমিক ১০ শতাংশ ও ৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয়েছে।
"আশুগঞ্জ সার কারখানায় উৎপাদন শুরু করতে নিরবচ্ছিন্নভাবে নির্ধারিত চাপে গ্যাস সরবরাহ প্রয়োজন। অন্যদিকে, টিএসপি ও ডিএপি কারখানা চালুর জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল নিশ্চিত করতে হবে। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম (টিএসপি, ডিএপি), আশুগঞ্জ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. বাবুল মিঞা (বিসিআইসি চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ লাখ মেট্রিক টন (উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা), ২২ হাজার কোটি টাকা (সাশ্রয় লক্ষ্য), ১১ লাখ ৭৩২ দশমিক ৫০ মেট্রিক টন (২০২৫-২৬ ইউরিয়া উৎপাদন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!