📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে চালু হওয়া বাংলা কিউআর সেবা জনপ্রিয়তা পাচ্ছে না। কর ব্যবস্থা ও লেনদেন খরচের ভয়সহ বিভিন্ন কারণে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ডিজিটাল লেনদেনে অনীহা দেখাচ্ছেন। সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনার মাধ্যমে এই সেবাকে জনপ্রিয় করতে হবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের
বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে চালু হওয়া বাংলা কিউআর সেবা জনপ্রিয়তা অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির নির্দেশে দেশের সব ব্যাংক ও মোবাইলে আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান (এমএফএস) তাদের নিজস্ব কিউআর কোড বদলে বাংলা কিউআর চালু করলেও এখন পর্যন্ত সেবাটি কাঙ্ক্ষিত গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান গত তিন মাসে ১০টিরও বেশি বাংলা কিউআরের প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দেশে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ ১০০ কোটি টাকার নিচে রয়েছে
- 📌 ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ডিজিটাল লেনদেনে অনীহার প্রধান কারণ কর ব্যবস্থার ভয় ও ন্যূনতম টার্নওভার কর
- 📌 বাংলা কিউআরের লেনদেনে মার্চেন্ট মাশুল ১ শতাংশ থাকলেও অক্টোবর থেকে তা উঠিয়ে দেওয়া হয়েছে
- 📌 এমএফএসের মাধ্যমে টাকা উত্তোলনে ১ দশমিক ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত মাশুল দিতে হয় বিক্রেতাদের
- 📌 ভারতে কিউআর কোড জনপ্রিয় করতে সরকারি ভর্তুকি ও নগদ পুরস্কারের ব্যবস্থা ছিল
📰 বিস্তারিত
ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলা কিউআর সেবা চালু করলেও তা জনপ্রিয়তা পাচ্ছে না। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির নির্দেশে দেশের সব ব্যাংক ও এমএফএস তাদের নিজস্ব কিউআর কোড পরিবর্তন করে বাংলা কিউআর চালু করলেও বিক্রেতাদের মধ্যে ডিজিটাল লেনদেনে অনীহা রয়ে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান গত তিন মাসে ১০টিরও বেশি বাংলা কিউআরের প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে ইন্টারনেট ব্যাংকিং, কার্ড ও এমএফএসের মাধ্যমে দৈনিক হাজার কোটি টাকার লেনদেন হলেও বাংলা কিউআরের মাধ্যমে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ ১০০ কোটি টাকার নিচে রয়েছে। তবে ধীরে ধীরে কিউআর কোডে লেনদেন ও ব্যবহারকারী মার্চেন্টের সংখ্যা বাড়ছে।
খুচরা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ডিজিটাল লেনদেনে অনীহার অন্যতম প্রধান কারণ কর ব্যবস্থার ভয়। আয়করের পরিবর্তে মোট বিক্রির ওপর ভিত্তি করে ন্যূনতম টার্নওভার কর আরোপের ফলে অনেক ব্যবসায়ী লেনদেনের ডিজিটাল রেকর্ড রাখতে ভয় পাচ্ছেন। এছাড়া বাংলা কিউআরের লেনদেনে মার্চেন্ট মাশুল ১ শতাংশ থাকলেও অক্টোবর থেকে তা উঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তবে এমএফএসের মাধ্যমে টাকা উত্তোলনে বিক্রেতাদের ১ দশমিক ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত মাশুল দিতে হয়। এছাড়া মার্চেন্টদের হিসাব খোলার জটিলতা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য পার্সোনাল রিটেইল অ্যাকাউন্ট খোলার প্রক্রিয়া পুরোপুরি ডিজিটাল না হওয়ায় অনেক আগ্রহী বিক্রেতা সেবাটি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
"বাংলা কিউআরের ব্যবহার বৃদ্ধিতে সরকারি সেবায় বাংলা কিউআর ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া জরুরি। এছাড়া সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনার মাধ্যমে এই সেবাকে জনপ্রিয় করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গভর্নর মোস্তাকুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!