📅 ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া: এফটিএ আলোচনা শুরু, ২০২৭ সালের মধ্যে চুক্তি চূড়ান্তের প্রত্যাশা

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া: এফটিএ আলোচনা শুরু, ২০২৭ সালের মধ্যে চুক্তি চূড়ান্তের প্রত্যাশা

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া ২০২৭ সালের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করেছে। রাজধানীর একটি হোটেলে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী আলোচনায় উভয় দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করছেন। বাণিজ্য সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বলেছেন, এই চুক্তি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া ২০২৭ সালের মধ্যে একটি আধুনিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করেছে। রাজধানীর একটি হোটেলে আজ মঙ্গলবার সকালে তিন দিনব্যাপী প্রথম দফার আলোচনা উদ্বোধন করা হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) চূড়ান্ত করার প্রত্যাশা জানিয়েছে।
  • 📌 ৩১ সদস্যের মালয়েশীয় প্রতিনিধিদল ও বাংলাদেশের চিফ নেগোশিয়েটর খাদিজা নাজনীনসহ উভয় দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন।
  • 📌 ২০২৫ সালে উভয় দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ২ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
  • 📌 ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে প্রথম দফার আলোচনা।
  • 📌 হালহাল শিল্প, সেমিকন্ডাক্টর ও ডিজিটাল বাণিজ্য সহ বিভিন্ন খাতে যৌথ বিনিয়োগের সম্ভাবনা আলোচিত হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

আজকের উদ্বোধনী অধিবেশনে ‘টার্মস অব রেফারেন্স’ (টিওআর) স্বাক্ষরিত হয়। বাণিজ্য সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্কের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব ও অভিন্ন সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে এই চুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি উল্লেখ করেন, গত জুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সাথে এই চুক্তির বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল।

মালয়েশিয়ার চিফ নেগোশিয়েটর ড. রশিদি সাইদ বলেন, এই চুক্তি শুধু শুল্ক হ্রাসের চুক্তি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের কৌশলগত উদ্যোগ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক সমঝোতা ও নমনীয়তার মাধ্যমে ২০২৭ সালের মধ্যে আলোচনা সম্পন্ন করা যাবে।

বাংলাদেশের চিফ নেগোশিয়েটর খাদিজা নাজনীন বলেন, এফটিএ কার্যকর হলে উভয় দেশের বাজারে প্রবেশাধিকার সহজ হবে এবং বাণিজ্য বাধা কমবে। তিনি জানান, আলোচনায় পণ্য ও সেবা বাণিজ্য, রুলস অব অরিজিন এবং শুল্ক প্রক্রিয়াসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

"আইতিহাসিক বন্ধুত্ব ও অভিন্ন সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ক সুদৃঢ় হয়েছে। বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বহুমুখীকরণের বিপুল সম্ভাবনা এখনো কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি।"
"প্রস্তাবিত এফটিএ কেবল শুল্ক হ্রাসের চুক্তি নয়; বরং দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি ও সুষম অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠার কৌশলগত উদ্যোগ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজধানীর একটি হোটেল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, ড. রশিদি সাইদ, খাদিজা নাজনীন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ সদস্যের প্রতিনিধিদল, ২ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২৯ অক্টোবর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖