📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর জানিয়েছেন, ব্যাংকিং খাতের ক্ষতিপূরণে প্রতি বছর ৬০ হাজার কোটি টাকা বাজেট থেকে বরাদ্দ দরকার। তিনি স্বীকার করেছেন, ব্যাংকের এক-তৃতীয়াংশ টাকা লুটপাটের মাধ্যমে চুরি হয়েছে। বিশ্বের সর্বোচ্চ ৩৩ শতাংশ খেলাপি ঋণের পিছনে এই লুটপাটের ভূমিকা রয়েছে। সরকারের কাছে প্রস্তাবিত খসড়া অনুযায়ী, পাঁচ বছরে মোট ৩ লাখ কোটি টাকা এবং আট বছরে ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের লুটপাটের সত্য প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেছেন, ব্যাংকের এক-তৃতীয়াংশ অর্থ লুটপাটের মাধ্যমে চুরি হয়েছে। তিনি স্বীকার করেছেন যে, ব্যাংকিং নিয়মাচারের ব্যাপক লঙ্ঘন এবং বেনামি গ্রাহকের নামে ঋণ বিতরণের মাধ্যমে এই লুটপাট ঘটেছে। গভর্নর বলেছেন, ব্যাংক থেকে লুণ্ঠিত অর্থকে খেলাপি ঋণের ছদ্মাবরণে লুকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। এই লুটপাটের কারণে ব্যাংকিং খাতের অন্যতম প্রধান সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর জানিয়েছেন, ব্যাংকিং খাতের ক্ষতিপূরণে প্রতি বছর ৬০ হাজার কোটি টাকা বাজেট থেকে বরাদ্দ দরকার হবে।
- 📌 গভর্নর স্বীকার করেছেন, ব্যাংকের এক-তৃতীয়াংশ অর্থ লুটপাটের মাধ্যমে চুরি হয়েছে।
- 📌 বিশ্বের সর্বোচ্চ ৩৩ শতাংশ খেলাপি ঋণের পিছনে এই লুটপাটের ভূমিকা রয়েছে।
- 📌 সরকারের কাছে প্রস্তাবিত খসড়া অনুযায়ী, পাঁচ বছরে মোট ৩ লাখ কোটি টাকা এবং আট বছরে ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে।
- 📌 ২০২৫-২৬ সালের বার্ষিক রাজস্ব আয় ছিল ৪ লাখ কোটি টাকা, কিন্তু বাজেটে ঘাটতি ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেছেন, ব্যাংকিং খাতের সমস্যা কাটিয়ে উঠতে আগামী পাঁচ থেকে আট বছরে প্রতিবছর ৬০ হাজার কোটি টাকা বাজেট থেকে বরাদ্দ দরকার। তিনি বলেছেন, ব্যাংকের তিন ভাগের এক ভাগ অর্থ লুটপাটের মাধ্যমে চুরি হয়েছে। তিনি এই ঘটনাকে ঠিক চুরি বলতে চান না, বরং লুট বলাই সংগত বলে মনে করেন। গভর্নর বলেছেন, ব্যাংক থেকে লুণ্ঠিত অর্থকে খেলাপি ঋণের ছদ্মাবরণে লুকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। এই লুটপাটের কারণে ব্যাংকিং খাতের অন্যতম প্রধান সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।
গভর্নর আরও বলেছেন, ব্যাংক থেকে লুট করা অর্থের নামেই জনগণকে এই টাকা দিতে হবে। তিনি বলেছেন, লুট করে নিয়ে গেছে একজন, আর জরিমানা দিচ্ছে জনগণ। তিনি সরকারের কাছে প্রস্তাবিত খসড়া হিসাব অনুযায়ী ব্যাংকিং খাত মেরামতের জন্য বাজেট থেকে যদি আগামী পাঁচ বছর দিয়ে যেতে হয়, তাহলে মোট পরিমাণ দাঁড়াবে ৩ লাখ কোটি টাকা, আর আট বছর ধরে দিয়ে যেতে হলে মোট দাঁড়াবে ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা।
২০২৫-২৬ সালের বার্ষিক রাজস্ব আয় ছিল ৪ লাখ কোটি টাকার মতো। সর্বশেষ ঘোষিত বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা এবং অনুমিত ঘাটতি ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। গভর্নর বলেছেন, এই টানাটানির বাজেট থেকে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা কীভাবে দেওয়া হবে, দিলে আমাদের ব্যয়ের কোনো কোনো খাতে টান পড়বে, সে আলোচনায় না গিয়ে বলা যায়, এ ছাড়া ব্যাংকিং খাতকে খাদের তলা থেকে তুলে আনার কোনো বিকল্পও নেই।
"লুট করে নিয়ে গেছে একজন, আর জরিমানা দিচ্ছে জনগণ। এই সত্য কথাটি উচ্চারণের জন্য আমাকে ধন্যবাদ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ হাজার কোটি টাকা (বছরে), ৩৩ শতাংশ (খেলাপি ঋণ), ৩ লাখ কোটি টাকা (৫ বছরে), ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা (৮ বছরে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!