📌 বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে আমদানি ব্যয় বাড়ায় ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। ১৪ মাস পর বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ১ কোটি ১৫ লাখ ডলার বিক্রি করে, যা দরকে ১২৩ টাকা ৩৫ পয়সায় নিয়ে যায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ৬০০ কোটি ডলার কিনে রেখেছে
বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং আমদানি ব্যয়ের বাড়ার কারণে বাংলাদেশে ডলারের চাহিদা সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এই চাপ মোকাবেলায় ১৪ মাস পর বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করেছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ছয়টি ব্যাংকের কাছে ১ কোটি ১৫ লাখ ডলার বিক্রি করা হয়। এতে ডলারের দর সোমবার ১২৩ টাকা ২০ পয়সা থেকে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেড়ে দাঁড়ায় ১২৩ টাকা ৩৫ পয়সায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১৪ মাস পর** বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে **১ কোটি ১৫ লাখ ডলার বিক্রি** করে ছয়টি ব্যাংকে বিতরণ
- 📌 **ডলারের দর** সোমবার থেকে মঙ্গলবার **১২৩ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১২৩ টাকা ৩৫ পয়সায়** বেড়েছে
- 📌 **২০২৫ সালের জুলাই** থেকে শুরু করে **৬০০ কোটি ডলার কেনা** হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
- 📌 **জ্বালানি তেলজাত পণ্যের আমদানি** বেড়েছে **৮৩ দশমিক ৩ শতাংশ** (২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই)
- 📌 **রফতানি আয়** কমে **৪৩৫ কোটি ডলারে** নেমেছে (১ দশমিক ৬ শতাংশ হ্রাস)
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাইয়ে দেশের আমদানি বিল আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় **৮ দশমিক ৬ শতাংশ** বেড়েছে। বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে চাপ তৈরি হওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারে ডলারের সরবরাহ বাড়াতে বিক্রি শুরু করেছে। এর আগে ২০২৫ সালের জুলাই মাসে সর্বশেষ ডলার বিক্রি হয়েছিল।
সূত্র জানায়, বাজারে ডলারের সরবরাহ বাড়ায় এবং চাপ কমে আসায় বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ডলার কেনা শুরু করে। ওই সময় থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় **৬০০ কোটি ডলার** কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে, আমদানি ব্যয় বাড়ার বিপরীতে রফতানি আয় কমে যাওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে চাপ তৈরি হয়েছে।
"বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ার পাশাপাশি আমদানি ব্যয় বাড়ায় দেশে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের চাহিদা সামান্য বেড়েছে। ডলারের সরবরাহ ঠিক রাখতে ১৪ মাস পর রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা (সূত্র)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি ১৫ লাখ ডলার (বিক্রি), ৬০০ কোটি ডলার (কেনা), ৮৩.৩ শতাংশ (আমদানি বৃদ্ধি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!