📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিসিআইসি চেয়ারম্যান: নভেম্বর পর্যন্ত ইউরিয়া সার সংকট নেই, কারখানা ও গুদামে পর্যাপ্ত মজুত

বিসিআইসি চেয়ারম্যান: নভেম্বর পর্যন্ত ইউরিয়া সার সংকট নেই, কারখানা ও গুদামে পর্যাপ্ত মজুত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) চেয়ারম্যান ড. মাহমুদুর রহমান ঘোষণা করেছেন, আগামী নভেম্বর পর্যন্ত দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা মেটানো সম্ভব। কারখানা ও গুদামে পর্যাপ্ত মজুত থাকায় পিক মৌসুমেও সংকট হবে না

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) ড. মাহমুদুর রহমান আশ্বাস দিয়েছেন, দেশে ইউরিয়া সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তিনি বলেছেন, আগামী নভেম্বর পর্যন্ত দেশের সার চাহিদা গুদামে থাকা মজুত থেকেই পূরণ করা সম্ভব। স্থানীয় কারখানার উৎপাদন ও বিদেশ থেকে আমদানি অব্যাহত থাকায় আসন্ন পিক মৌসুমেও সারের সংকট হবে না।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নভেম্বর পর্যন্ত ইউরিয়া সার সংকট নেই — বিসিআইসি চেয়ারম্যান ড. মাহমুদুর রহমানের আশ্বাস
  • 📌 দৈনিক ৫ হাজার টন উৎপাদন — দেশের তিনটি কারখানায় ইউরিয়া সার
  • 📌 গুদামে পর্যাপ্ত মজুত — নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের গুদাম পরিদর্শনকালে নিশ্চিত
  • 📌 সপ্তাহের সাত দিন সার বিতরণ — শুক্র ও শনিবারও কার্যক্রম চলমান
  • 📌 কৃত্রিম সংকট রোধে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান — ড. মাহমুদুর রহমান

📰 বিস্তারিত

গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নীলফামারী, লালমনিরহাটের মহেন্দ্রনগর ও কুড়িগ্রামের বিসিআইসির সার গুদাম পরিদর্শনকালে ড. মাহমুদুর রহমান এসব কথা বলেন। পরিদর্শনের সময় স্থানীয় জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালকের উপস্থিতিতে গুদামে মজুত থাকা সার খামাল-ভিত্তিক গণনা করা হয়। এতে মজুতের সঠিক পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় বলে বিসিআইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ড. মাহমুদুর রহমান বলেন, দেশের তিনটি স্থানীয় সার কারখানায় প্রতিদিন প্রায় ৫ হাজার টন ইউরিয়া সার উৎপাদিত হচ্ছে। একই সঙ্গে বিদেশ থেকে ইউরিয়া সার আমদানিও চলমান রয়েছে। ফলে আগামী পিক মৌসুমে কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহ করা সম্ভব হবে। তিনি কৃষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সারের মজুত নিয়ে কোনো গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্যে আতঙ্কিত না হওয়া উচিত।

পরিদর্শন ও মতবিনিময়কালে বিসিআইসির পরিচালক (পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন) মু. খায়রুজ্জামান এবং ঊর্ধ্বতন মহাব্যবস্থাপক (বিপণন) মো. মঞ্জুর রেজা উপস্থিত ছিলেন। বিসিআইসি জানায়, শুক্র ও শনিবারসহ সপ্তাহের সাত দিনই গুদাম থেকে সার বিতরণ কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে এ কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক, সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কৃষি কর্মকর্তা, বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএ) নেতারা ও সার ডিলারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন ড. মাহমুদুর রহমান। সভায় তিনি বলেন, চাহিদা অনুযায়ী ডিলারদের বিসিআইসির কারখানা ও বাফার গুদাম থেকে যথাসময়ে সার সরবরাহ করা হচ্ছে। কৃষকদের কাছে সুষ্ঠুভাবে সার পৌঁছে দিতে প্রতিটি কারখানা ও বাফার গুদামে একজন করে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

"কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা সারের দাম বৃদ্ধি কিংবা অপপ্রচার চালাতে স্বার্থান্বেষী মহল যেন সক্ষম না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নীলফামারী, লালমনিরহাটের মহেন্দ্রনগর, কুড়িগ্রাম (বাংলাদেশ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. মাহমুদুর রহমান (বিসিআইসি চেয়ারম্যান), জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, কৃষি কর্মকর্তা, ডিলাররা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ হাজার টন (দৈনিক উৎপাদন), ১৪ সেপ্টেম্বর (পরিদর্শন তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖