📌 বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ভার্চুয়াল মুদ্রার লেনদেনে এক বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে। ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানগুলিকে গ্রাহক হিসাবের মাধ্যমে ক্রিপ্টো লেনদেন বন্ধে নজরদারি জোরদার করতে বলা হয়েছে
বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ভার্চুয়াল মুদ্রার লেনদেন, কেনাবেচা, বিনিময় ও স্থানান্তরকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ রেখেছে। এ ধরনের কার্যক্রমে সহায়তা দেওয়ারও কোনো সুযোগ নেই। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে গ্রাহক হিসাবের মাধ্যমে ক্রিপ্টো লেনদেন বন্ধে নজরদারি জোরদার করতে বলা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনে এক বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে
- 📌 ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ক্রিপ্টো লেনদেন বন্ধে নজরদারি জোরদার করতে বলা হয়েছে
- 📌 ২০২২ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ও ১২ অক্টোবর জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী ক্রিপ্টো লেনদেন নিষিদ্ধ
- 📌 ১৯৪৭ সালের বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনে ক্রিপ্টোকারেন্সি স্বীকৃত মুদ্রা নয়
- 📌 ক্রিপ্টোকারেন্সির মূল্য দ্রুত ওঠানামা করতে পারে এবং বিনিয়োগকারীরা আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকিতে পড়তে পারে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংক গত বৃহস্পতিবার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের নিষেধাজ্ঞা এক বছরের জন্য প্রসারিত করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ভার্চুয়াল মুদ্রার লেনদেন, কেনাবেচা, বিনিময় ও স্থানান্তর বাংলাদেশে সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। এছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনে সহায়তা দেওয়ারও সুযোগ নেই।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন বন্ধে নজরদারি জোরদার করতে বলা হয়েছে। এছাড়া বৈদেশিক বিনিময় হার ও প্রতিবেদন দাখিল, বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলোর লেনদেন, এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (এসিইউ) ব্যবস্থায় অর্থ পরিশোধ ও নিষ্পত্তি, বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব, ওপেন পজিশন সীমা, নস্ট্রো হিসাবের সমন্বয়, ফরওয়ার্ড লেনদেন, সোয়াপ এবং আমদানি বাণিজ্যে পণ্যমূল্যের ঝুঁকি হেজিং-সংক্রান্ত নির্দেশনা বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা ও কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
২০২২ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর জারি করা বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের পরিপত্রে ভার্চুয়াল সম্পদ ও ভার্চুয়াল মুদ্রা অর্জনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ থেকে, বাংলাদেশে বা বাংলাদেশের ভেতরে লেনদেন অনুমোদিত নয় বলে জানানো হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০২২ সালের ১২ অক্টোবর ব্যাংকগুলোকে এ ধরনের লেনদেন প্রতিরোধ ও নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
"১৯৪৭ সালের বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনে ভার্চুয়াল মুদ্রা স্বীকৃত মুদ্রা নয়। এসব সম্পদের বিপরীতে কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের নিশ্চয়তা নেই। ফলে এর মূল্য দ্রুত ওঠানামা করতে পারে এবং বিনিয়োগকারীরা আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ ব্যাংক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২ অক্টোবর ২০২২
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!