📅 ২২ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মাছের পোনা উৎপাদনে বিপ্লব ঘটিয়েছেন নোয়াখালীর উদ্যোক্তা আবদুল আজিজ

মাছের পোনা উৎপাদনে বিপ্লব ঘটিয়েছেন নোয়াখালীর উদ্যোক্তা আবদুল আজিজ

📷 ছবি: শেয়ার বিজ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Share Biz ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নোয়াখালীর সুবর্ণচরের আবদুল আজিজ মাছের পোনা উৎপাদনে বিপ্লব ঘটিয়েছেন। শুরু করেছিলেন ২০ শতাংশ পুকুর থেকে, এখন তার হ্যাচারির আয়তন ১৫ একর। সরকারি সহযোগিতা কম হলেও স্থানীয় এনজিওর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ নিয়ে সফলতা পেয়েছেন তিনি

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরমজিদ গ্রামের উদ্যোক্তা আবদুল আজিজ মাছের পোনা উৎপাদনে বিপ্লব ঘটিয়েছেন। এক সময় উত্তরবঙ্গ থেকে পোনা কিনে গ্রামে গ্রামে বিক্রি করলেও এখন নিজেই উৎপাদন করছেন বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা। তার হ্যাচারিতে কর্মসংস্থান হয়েছে অর্ধশত মানুষের।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আবদুল আজিজের হ্যাচারির আয়তন এখন ১৫ একর, যেখানে উৎপাদিত হচ্ছে বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা
  • 📌 ২০১২ সালে মাত্র ২০ শতাংশ পুকুর থেকে শুরু করেছিলেন পোনা উৎপাদন
  • 📌 গত বছর এক কোটি পোনা উৎপাদন করেছেন তিনি
  • 📌 চলতি বছরের শুরুতেই বিক্রি করেছেন ২৫ লাখ টাকার পোনা
  • 📌 তার উৎপাদিত পোনা বিক্রি করছেন অন্তত ৭০ জন মৌসুমি বিক্রেতা

📰 বিস্তারিত

আবদুল আজিজের জীবনের গল্পটি সফলতার এক অনন্য উদাহরণ। এক সময় উত্তরবঙ্গ থেকে পোনা কিনে গ্রামে গ্রামে সাইকেলে করে বিক্রি করতেন তিনি। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে নিজেই হয়ে উঠেছেন স্বয়ংসম্পূর্ণ উদ্যোক্তা। ২০১২ সালে মাত্র ২০ শতাংশ পুকুর থেকে শুরু করেছিলেন পোনা উৎপাদন। শুরুতে কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকলেও সরকারের পিকেএসএফ ও স্থানীয় এনজিও সাগরিকার সহায়তায় প্রশিক্ষিত হন তিনি।

বর্তমানে তার হ্যাচারির আয়তন ১৫ একর। গত বছর এক কোটি পোনা উৎপাদন করেছেন তিনি। চলতি বছরের শুরুতেই বিক্রি করেছেন ২৫ লাখ টাকার পোনা। তার লক্ষ্য চলতি বছর ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকার পোনা বিক্রি করা। স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে একাধিক পুরস্কারেও ভূষিত হয়েছেন তিনি।

তার উৎপাদিত পোনার মান ভালো হওয়ায় জেলায় বেশ সুনাম রয়েছে। মৌসুমি বিক্রেতা আবদুল হক জানান, আগে উত্তরবঙ্গ ও কুমিল্লা থেকে পোনা আনতে হতো, যার ফলে দাম বেশি পড়তো। কিন্তু আজিজের হ্যাচারি থেকে পোনা নিয়ে বিক্রি করায় তার লাভ বেশি হচ্ছে।

"সরকারিভাবে তেমন সহযোগিতা পাই না। তবে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার মৎস্য কর্মকর্তারা আমাকে সহযোগিতা করছেন। স্থানীয় এনজিও সাগরিকা আমাকে প্রশিক্ষণ ও যন্ত্রপাতি সহায়তা দিচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুবর্ণচর উপজেলা, নোয়াখালী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল আজিজ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ একর (হ্যাচারি আয়তন), ২৫ লাখ টাকা (চলতি বছরের বিক্রয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖