📌 বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন বলেছেন, আম্পায়ারস কল পাঁচবার পাওয়ার মধ্যে তিনবারই বিপক্ষে গিয়েছে। মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৮ উইকেটে হেরে যাওয়ার পর তিনি স্বীকার করেছেন, এই ব্যর্থতা তাদের ম্যাচ জেতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে
বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৮ উইকেটে হেরে যাওয়ার পর আম্পায়ারস কল পক্ষে না আসার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, বাংলাদেশের পক্ষে আসা আম্পায়ারস কল মোট পাঁচটি ঘটনার মধ্যে তিনটিই বিপক্ষে গিয়েছে। তিনি স্বীকার করেছেন, এই ব্যর্থতা তাদের ম্যাচ জেতার সম্ভাবনাকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নাজমুল বলেছেন, বাংলাদেশের পক্ষে আসা আম্পায়ারস কল মোট পাঁচটি ঘটনার মধ্যে তিনটিই বিপক্ষে গিয়েছে
- 📌 প্রথম ইনিংসে ২৭ রানের লিড নিয়ে শুরু করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে অলআউট হয় ১৪২ রানে
- 📌 নাজমুল মনে করেন, প্রথম ইনিংসে ২১৩ রানে অলআউট হওয়ার পর প্রতিপক্ষের ২৭৩ রানের লক্ষ্য দিতে পেরে ম্যাচে পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশের
- 📌 তিনি স্বীকার করেছেন, আম্পায়ারস কল পক্ষে না আসায় হতাশা লাগে, কিন্তু ম্যাচের ফলাফলকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করতে চান না
- 📌 মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৮ উইকেটে হেরে যাওয়ার পর নাজমুল বলেছেন, ‘আম্পায়ারকে দোষ দিতে পারব না, এটা খেলার অংশ’
📰 বিস্তারিত
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচে ৮ উইকেটে পরাজিত হওয়ার পর বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, আম্পায়ারস কল পক্ষে আসা বাংলাদেশের পক্ষে মোট পাঁচটি ঘটনার মধ্যে তিনটিই বিপক্ষে গিয়েছে। তিনি বলেছেন, মিরপুরে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে মেহেদী হাসান মিরাজের প্রথম ওভারেই দুবার এলবিডব্লু থেকে বেঁচে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটসম্যানরা।
নাজমুল বলেছেন, ‘আপনি যখন প্রতিপক্ষকে ১৭০ রানের লক্ষ্য দেবেন, তখন আম্পায়ারস কল পাঁচটার মধ্যে তিনটা আপনার পক্ষে দরকার হবে। দুর্ভাগ্যবশত আজকে তা হয়নি। এটা খেলার অংশ। আম্পায়ারকে আপনি দোষও দিতে পারবেন না। এটা ধরে নিতে হবে যে আমাদের ভাগ্যে ছিল না।’
তিনি স্বীকার করেছেন, আম্পায়ারস কল পক্ষে না আসায় হতাশা লাগে, কিন্তু ম্যাচের ফলাফলকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করতে চান না। তিনি বলেছেন, ‘যখন অনেক বেশি এমন হয় (আম্পায়ারস কল পক্ষে আসে না), মিথ্যা বলব না তখন স্বাভাবিকভাবেই একটু হতাশ লাগে।’
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২৭ রানে লিড নিয়ে শুরু করেছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৬ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর তারা অলআউট হয়ে যায় ১৪২ রানে। নাঈম হাসানের ফিফটি রানের সুবাদে বাংলাদেশ এত রান করতে পেরেছিল। নাজমুল বলেছেন, ‘উইকেটের যে অবস্থা ছিল, আমাদের বিশ্বাস ছিল এই রান ডিফেন্ড করা সম্ভব। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তা হয়নি। অবশ্যই ওদেরকে একটু কৃতিত্ব দিতে হবে কিন্তু আমি বলব যে আমরা এই উইকেটে আরেকটু ভালো বল করতে পারতাম।’
নাজমুল মনে করেন, বাংলাদেশ আসলে ম্যাচটা হেরে গেছেন প্রথম ইনিংসেই। প্রথম দিনে বাংলাদেশ ৩ উইকেটে ২১৩ রান নিয়ে শেষ করেছিল। কিন্তু দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনেই ৭ উইকেট হারিয়ে তারা ২৭২ রানে অলআউট হয়ে যায়। তিনি বলেছেন, ‘আমার মনে হয়, এই ম্যাচে আমরা প্রথম ইনিংসেই ব্যাকফুটে চলে গেছি। উইকেট যেমন ছিল, তাতে প্রথম ইনিংসে আমরা যেভাবে দিন শেষ করেছি এবং ২১৩ রানে অলআউট হওয়ার পর প্রতিপক্ষ ২৭৩ রান করেছে, তাতে আমরা ম্যাচে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছি। আমরা জানতাম, পরের দিকে ব্যাটিং করাটা কঠিন হবে। তাই এত দূর না ভেবে বলব, ভুলটা আমরা প্রথম ইনিংসেই করেছি।’
"আম্পায়ারকে আপনি দোষও দিতে পারবেন না। এটা খেলার অংশ। আমাদের ভাগ্যে ছিল না"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরপুর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাজমুল হোসেন (বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫টি আম্পায়ারস কল (৩টি বিপক্ষে), ৮ উইকেটে পরাজয়, ১৭০ রানের লক্ষ্য, ২৭ রানের লিড, ৫৬ রানে ৬ উইকেট হারানো, ১৪২ রানে অলআউট, ২১৩ রানে প্রথম ইনিংস অলআউট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!