📌 খুলনার সাবেক পুলিশ সুপার তাজুল ইসলামের নাম ভাঙিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে চাঁদাবাজির অভিযোগে মেহেরপুর থেকে দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রতারণার নতুন কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত এই ঘটনায় আরও এক সদস্য পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।
খুলনার সাবেক পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপে চাঁদাবাজির অভিযোগে সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মেহেরপুর শহরের ঘোষপাড়া এলাকায় বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান চালিয়ে জিহাদ নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি নুর ইসলামের ছেলে। এর আগে মহিলা কলেজ এলাকা থেকে একই চক্রের অপর সদস্য আবিরকে আটক করা হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনার সাবেক পুলিশ সুপার তাজুল ইসলামের নাম ভাঙিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুই সদস্য গ্রেপ্তার
- 📌 মেহেরপুর শহরের ঘোষপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে জিহাদ নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার
- 📌 আবির নামে অপর এক সদস্য আগেই মহিলা কলেজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন
- 📌 প্রতারণার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আলীরাজ বিশ্বাস গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
📰 বিস্তারিত
খুলনার সাবেক পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপে চাঁদাবাজির অভিযোগে সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। মেহেরপুর শহরের ঘোষপাড়া এলাকায় বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান চালিয়ে জিহাদ নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি নুর ইসলামের ছেলে। এর আগে মহিলা কলেজ এলাকা থেকে একই চক্রের অপর সদস্য আবিরকে দুই দিনের পুলিশ রিমান্ডে আটক করা হয়েছিল।
প্রতারণার মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা আলীরাজ বিশ্বাস গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জিহাদের ভাই বিপুল দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে অবস্থান করছেন। সেখান থেকে মেহেরপুরে অবস্থানরত কয়েকজনের সঙ্গে যোগসাজশে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন তিনি। সম্প্রতি প্রতারণার নতুন কৌশল হিসেবে খুলনার সাবেক এসপি তাজুল ইসলামের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে মেহেরপুরের কয়েকজনের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি শুরু করে চক্রটি।
মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিনুর রহমান খান জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারণায় ব্যবহৃত সিমের সূত্র ধরে চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করা হয়। তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় এক পুলিশ সুপারের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক অপর সদস্যকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।
"তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারণায় ব্যবহৃত সিমের সূত্র ধরে চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করা হয়েছে। এই ঘটনায় এক পুলিশ সুপারের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক অপর সদস্যকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মেহেরপুর শহর, ঘোষপাড়া ও মহিলা কলেজ এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জিহাদ, আবির, আলীরাজ বিশ্বাস, জামিনুর রহমান খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই সদস্য গ্রেপ্তার, দুই দিনের রিমান্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!