📌 কুর্মিটোলা রেললাইনে চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে মারা যান বাগেরহাটের যুবক হাফিজুর রহমান (২৫)। ছিনতাইকারীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির পর তাকে ট্রেনের ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় তদন্ত চলছে, মামলা দায়ের হয়নি
কুর্মিটোলা রেললাইনে চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে মারা যান বাগেরহাটের যুবক হাফিজুর রহমান (২৫)। ছিনতাইকারীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির পর তাকে ট্রেনের ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাফিজুর রহমান (২৫) কুর্মিটোলা রেললাইনে ট্রেন থেকে পড়ে মারা যান, বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বাসিন্দা
- 📌 ছিনতাইকারীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির পর তাকে ট্রেনের ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ
- 📌 মৃত্যুর আগে বুধবার সন্ধ্যায় কুর্মিটোলা হাসপাতালের পেছনে রেললাইনের পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিলেন
- 📌 হাসপাতালে ভর্তি রাত সাড়ে ৯টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে, সকালে মৃত্যু
- 📌 তদন্ত চলছে, ঘটনার কারণ নিশ্চিত হওয়ায় অপেক্ষা, মামলা দায়ের হয়নি
- 📌 ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বাড়ি ফেরার পথে রাজধানীর কুর্মিটোলায় চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন হাফিজুর রহমান (২৫)। ছিনতাইকারীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাঁকে ট্রেনের ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. হাবিবুর রহমান জানান, বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে দুই পথচারী হাফিজুরকে আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে এনে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। প্রথমে তাঁর পরিচয় পাওয়া যায়নি। পরে দুপুরে তাঁর পরিচয় শনাক্ত হয়।
হাফিজুরকে হাসপাতালে নিয়ে আসা পথচারী ফয়েজ জানান, বুধবার সন্ধ্যার দিকে কুর্মিটোলা হাসপাতালের পেছনে রেললাইনের ধারে মানুষের জটলা দেখে তিনি সেখানে যান। সেখানে হাফিজুরকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। স্থানীয়দের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, কমলাপুরগামী একটি চলন্ত ট্রেনে ছিনতাইকারীরা হাফিজুরের ওপর হামলা চালায়। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাঁকে ট্রেন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়।
হাফিজুরের বড় ভাই মো. হোসাইন শেখ জানান, বুধবার ছুটিতে গাজীপুর থেকে বাগেরহাট যাওয়ার জন্য রওনা দিয়েছিলেন হাফিজুর। সাধারণত জয়দেবপুর থেকে ট্রেনে করে ঢাকার কমলাপুর আসতেন তিনি। এরপর সায়দাবাদ থেকে বাসে করে গ্রামের বাড়িতে যেতেন। হোসাইন শেখ বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশের মাধ্যমে তাঁরা হাফিজুরের মৃত্যুর খবর পান। পরে গ্রাম থেকে ঢাকায় এসে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মরদেহ শনাক্ত করেন।
ঢাকা রেলওয়ে থানার (কমলাপুর) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জয়নাল আবেদীন জানান, কুর্মিটোলা এলাকায় ট্রেন থেকে পড়ে এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তবে তাঁকে ফেলে দেওয়া হয়েছে, নাকি কীভাবে তিনি ট্রেন থেকে পড়েছেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের হয়নি।
"বুধবার সন্ধ্যার দিকে কুর্মিটোলা হাসপাতালের পেছনে রেললাইনের ধারে মানুষের জটলা দেখে সেখানে যান। সেখানে হাফিজুরকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখলাম। স্থানীয়দের কাছ থেকে জানতে পারলাম, ট্রেনে ছিনতাইকারীরা হাফিজুরের ওপর হামলা চালায়। ধস্তাধস্তির পর তাকে ট্রেনের ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুর্মিটোলা, ঢাকা; জয়দেবপুর, গাজীপুর; বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাফিজুর রহমান (২৫), মো. হাবিবুর রহমান (পরিদর্শক), ফয়েজ (পথচারী), মো. হোসাইন শেখ (হাফিজুরের ভাই), জয়নাল আবেদীন (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর (হাফিজুরের বয়স), রাত সাড়ে ৯টা (হাসপাতালে ভর্তি সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!