📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৫৫ বছর ধরে নারকেলগাছের মরা ডাল কেটে বাঁচাচ্ছেন তৈয়ব আলী: 'কাজ ছেড়ে দিলে কীভাবে চলবে সংসার?'

৫৫ বছর ধরে নারকেলগাছের মরা ডাল কেটে বাঁচাচ্ছেন তৈয়ব আলী: 'কাজ ছেড়ে দিলে কীভাবে চলবে সংসার?'

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চাঁদপুরের তৈয়ব আলী ৫৫ বছর ধরে নারকেলগাছের মরা ডাল কেটে জীবিকা নির্বাহ করছেন। ২৭ হাজার গাছ বাছাই করেছেন তিনি। মাসে ৮-৯ হাজার টাকা আয় করে পরিবারের খরচ পূরণ করছেন।

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার দশপাড়া এলাকার তৈয়ব আলী (৭১) ৫৫ বছর ধরে নারকেলগাছের মরা ডালপালা কেটে জীবিকা নির্বাহ করছেন। স্থানীয়ভাবে এই কাজকে ‘গাছ বাছাই’ বলা হয়। তিনি এ পর্যন্ত প্রায় ২৭ হাজার গাছের ডালপালা কেটেছেন। এই একক পেশাই তাঁর পরিবারের খাদ্য-বস্ত্রের সব ব্যবস্থা করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৭১ বছর বয়সী তৈয়ব আলী ৫৫ বছর ধরে নারকেলগাছের মরা ডালপালা কেটে জীবিকা নির্বাহ করছেন
  • 📌 ১৬ বছর বয়সে বাবা-মা হারিয়ে কৈশোরেই সংসারের ভার নিতে বাধ্য হন তিনি
  • 📌 মাসে গড়ে ৪০টি গাছ বাছাই করে ৮-৯ হাজার টাকা আয় করেন, যা পরিবারের খরচ পূরণ করে
  • 📌 গরিব মানুষের গাছ বাছাই করে দেন বিনামূল্যে, কিন্তু অন্যরা দিতে চাইলেই নেন টাকা
  • 📌 লক্ষ্মীপুর, ফতেপুর, রসুলপুরসহ দূরদূরান্তের এলাকায় যান কাজের জন্য

📰 বিস্তারিত

তৈয়ব আলী ১৯৭১ সাল থেকে নারকেলগাছ বাছাইয়ের কাজ শুরু করেন। প্রথম দিকে প্রতিটি গাছের জন্য মালিকের কাছ থেকে নিতেন মাত্র ১০ টাকা। পরে এই হার বেড়ে ৩৫ টাকা হয়। বর্তমানে প্রতি গাছের জন্য পাঁচ বছর ধরে ২০০ টাকা নিচ্ছেন তিনি। মাসে গড়ে ৪০টি গাছ বাছাই করে ৮ থেকে ৯ হাজার টাকা আয় করেন। বছরে এই সংখ্যা ৪৮০ থেকে ৫০০ গাছের মধ্যে থাকে।

তৈয়ব আলীর বাড়ি চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার দশপাড়া এলাকায়। তিনি ওহাব আলী ও আমেনা বেগম দম্পতির একমাত্র সন্তান। ১৬ বছর বয়সে বাবাকে হারান। পরে মা-ও মারা যান। বাবার জমিজমা ছিল না। কৈশোরেই সংসারের ভার তাঁর কাঁধে পড়ে। তিনি ছিলেন দুরন্ত স্বভাবের। গাছে উঠে মানুষকে নারকেলসহ নানা ফল পেড়েও দিতেন। সেই শখই পরে তাঁর পেশা হয়ে দাঁড়ায়।

তৈয়ব বলেন, ‘এহন বয়স অইছে। শরীর তেমন ভালা থায়ে না। তবু যতক্ষণ শরীরে কুলায়, এই কাম কইরা যামু। না করলে সংসার চলব ক্যামনে। কিছু কইরা খাওনই ভালা।’ তিনি বলেন, ‘গরিব মানুষের গাছ বাছাই করে দিলে কোনো টাকা নেন না। পেশাটি ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানান তিনি।’

তৈয়বের ডাক আসে মতলব উত্তর উপজেলা থেকে। লক্ষ্মীপুর, লুধুয়া, ফতেপুর, ঠেটালিয়া, রসুলপুর, বালুচর, সুজাতপুর, দুর্গাপুর, গজরাসহ দূরদূরান্তের এলাকা থেকে লোকজন তাঁকে নিয়ে যান। কেউ অনুরোধ করলে দেরি করেন না তিনি, দা ও রশি নিয়ে ছোটে যান। কাজ শেষে কেউ কম টাকা দিতে চাইলেও নিয়ে নেন।

"না করলে সংসার চলব ক্যামনে। কিছু কইরা খাওনই ভালা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা, দশপাড়া এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তৈয়ব আলী (৭১), ওহাব আলী, আমেনা বেগম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৫ বছর (কাজের দীর্ঘতা), ২৭ হাজার (গাছ বাছাই), ৪০টি (মাসে গাছ বাছাই), ৮-৯ হাজার টাকা (মাসিক আয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖