📌 যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগন রাশিয়া নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে ইউরোপের কিছু নেতাদের সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া ও এস্তোনিয়াকে বিশেষভাবে এই বার্তা দেওয়া হয়েছে, যা ইউক্রেন যুদ্ধের পঞ্চম বছরে নতুন আলোচনার অংশ হিসেবে আসছে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন ইউরোপের কিছু নেতাদের রাশিয়া নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। ইউরোপীয় নেতাদের কিছু মন্তব্যের কারণে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়তে পারে বলে মনে করছে ওয়াশিংটন। এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পেন্টাগন লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া ও এস্তোনিয়াকে রাশিয়া নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সংযত থাকার নির্দেশ দিয়েছে
- 📌 ইউক্রেন যুদ্ধের পঞ্চম বছরে ট্রাম্প প্রশাসন নতুন আলোচনার মাধ্যমে সংঘাত অবসানের উদ্যোগ নিচ্ছে
- 📌 রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান আগ্রাসী মনোভাবের হুমকি নিয়ে ইউরোপীয় নেতাদের মন্তব্য পেন্টাগনের নজরে এসেছে
- 📌 পেন্টাগনের নীতিনির্ধারণবিষয়ক প্রধান এলব্রিজ কলবি এই বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তাদের
- 📌 এস্তোনিয়ার প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টেন মিখাল রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ‘কোণঠাসা ইঁদুর’ বলে অভিহিত করার বিষয়টিকে পেন্টাগন অনুপযুক্ত বক্তব্য হিসেবে উল্লেখ করেছে
📰 বিস্তারিত
পেন্টাগনের নীতিনির্ধারণবিষয়ক প্রধান এলব্রিজ কলবি ইউরোপীয় নেতাদের রাশিয়া নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া ও এস্তোনিয়াকে বিশেষভাবে। তবে ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলোকেও একই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ইউক্রেনে চলমান পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের পঞ্চম বছরে নতুন করে আলোচনার মাধ্যমে সংঘাত অবসানের উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে রাশিয়াকে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মতো প্রণোদনা দেওয়ার পাশাপাশি রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোতে ইউক্রেনের হামলা বন্ধে কিয়েভের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘মিত্রদের মধ্যে ব্যক্তিগত আলোচনা ব্যক্তিগতই থাকে। তাই এসব অভিযোগ নিয়ে আমরা মন্তব্য করব না।’
রাশিয়ার ইউক্রেন অভিযান ধীরগতির হয়ে পড়ায় মস্কো ক্রমেই মরিয়া পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে ইউরোপীয় নেতাদের দেওয়া কিছু বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের নজরে এসেছে। পেন্টাগনের নীতিনির্ধারণবিষয়ক প্রধান এলব্রিজ কলবি এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন।
এ বিষয়ে আরেক ইউরোপীয় কর্মকর্তা বলেছেন, ‘আমরা আপনাদের সহায়তা করছি। আমেরিকানরা আপনাদের পাশে রয়েছে। শুধু বেশি উচ্চবাচ্য করবেন না। শোরগোল সৃষ্টি করবেন না।’
"মিত্রদের মধ্যে ব্যক্তিগত আলোচনা ব্যক্তিগতই থাকে। তাই এসব অভিযোগ নিয়ে আমরা মন্তব্য করব না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন (যুক্তরাষ্ট্র), ইউরোপ (লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এলব্রিজ কলবি (পেন্টাগনের নীতিনির্ধারণবিষয়ক প্রধান), ক্রিস্টেন মিখাল (এস্তোনিয়ার প্রধানমন্ত্রী), ভ্লাদিমির পুতিন (রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ অক্টোবর (বার্তা প্রকাশের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!