📌 মানিকগঞ্জের ঘিওর বাজারে দুর্গামন্দির সংলগ্ন একটি গুদামে অগ্নিকাণ্ডে পাট, সরিষা ও তিলসহ প্রায় ছয় লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে আগুন শুরু হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে
মানিকগঞ্জের ঘিওর বাজারে শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে দুর্গামন্দির সংলগ্ন একটি গুদামে অগ্নিকাণ্ডে পাট, সরিষা ও তিলসহ প্রায় ছয় লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে আগুন শুরু হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মানিকগঞ্জের ঘিওর বাজারে দুর্গামন্দির সংলগ্ন একটি গুদামে অগ্নিকাণ্ডে ১২০ মণ পাট, ৩০ থেকে ৪০ মণ সরিষা ও কয়েক মণ তিল পুড়ে গেছে।
- 📌 আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী রাম প্রসাদ রায়। তার দাবি, প্রায় ছয় লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে।
- 📌 ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মো. শাহিনুর আলম জানান, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে আগুন শুরু হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
- 📌 গুদামের মালিক আব্দুল আলীমের কাছে পাট, সরিষা ও তিলের ব্যবসা করতেন রাম প্রসাদ রায়।
- 📌 অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
মানিকগঞ্জের ঘিওর বাজারের দুর্গামন্দির সংলগ্ন একটি গুদামে শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। স্থানীয় ব্যবসায়ী রাম প্রসাদ রায়ের মালিকানাধীন এই গুদামে পাট, সরিষা ও তিলের ব্যবসা করতেন। গুদামটিতে মজুত ছিল প্রায় ১২০ মণ পাট, ৩০ থেকে ৪০ মণ সরিষা ও কয়েক মণ তিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মো. শাহিনুর আলম জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দল আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে আগুন শুরু হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী রাম প্রসাদ রায় বলেন, ‘আগুনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে পাটের। সব মিলিয়ে প্রায় ছয় লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। দীর্ঘদিনের ব্যবসার পুঁজি হারিয়ে এখন আমি দিশেহারা হয়ে পড়েছি।’
"আগুনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে পাটের। সব মিলিয়ে প্রায় ছয় লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। দীর্ঘদিনের ব্যবসার পুঁজি হারিয়ে এখন আমি দিশেহারা হয়ে পড়েছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঘিওর বাজার, মানিকগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাম প্রসাদ রায়, মো. শাহিনুর আলম, আব্দুল আলীম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ লাখ টাকা, ১২০ মণ পাট, ৩০-৪০ মণ সরিষা, ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!