📌 টাকার লেনদেনে বিরোধের জেরে ঢাকার ঝিনুক আক্তার (২৬)কে হত্যা করা হয়। তার মরদেহ প্লাস্টিকের ড্রামে ভরে শ্রীবরদীর ব্রিজের নিচে ফেলা হয়। পিবিআই চারজনকে গ্রেপ্তার করে এবং ঘটনাটিকে 'ক্লুলেস হত্যাকাণ্ড' হিসেবে চিহ্নিত করেছে
টাকার লেনদেনে বিরোধের জেরে ঢাকার একটি নারীর হত্যা এবং তার মরদেহকে শ্রীবরদীতে প্লাস্টিকের ড্রামে ভরে ফেলার ঘটনায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) রহস্য উদ্ঘাটন করেছে। পিবিআই শেরপুরের পুলিশ সুপার পংকজ দত্তের তথ্য অনুযায়ী, গাজীপুরের টঙ্গী এলাকার ঝিনুক আক্তার (২৬)কে ২১ অক্টোবর ঢাকার দক্ষিণখান এলাকায় হত্যা করা হয় এবং তার মরদেহ ২২ অক্টোবর শ্রীবরদীর ব্রিজের নিচে উদ্ধার করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকার দক্ষিণখান এলাকায় টাকার লেনদেনে বিরোধের জেরে ঝিনুক আক্তার (২৬)কে হত্যা করা হয় এবং তার মরদেহ শ্রীবরদীর ব্রিজের নিচে প্লাস্টিকের ড্রামে ভরে ফেলা হয়।
- 📌 হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছে মাহবুবা আক্তার ফাতেমা (৪৪), নুর ইসলাম বাবু (৪৪), সজল (৪৪) এবং নুর মোহাম্মদ গোসা (৪৪)।
- 📌 পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে এসেছে, হত্যাকাণ্ডের আগের দিন ঝিনুককে ঢাকার আব্দুস সাত্তারের ভাড়া বাসায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে আর্থিক লেনদেনে বিরোধের জেরে হত্যা করা হয়।
- 📌 নুর ইসলাম বাবু শেরপুরের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
- 📌 পিবিআই ঘটনাটিকে 'ক্লুলেস হত্যাকাণ্ড' হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং দাবি করেছে, ঘটনাটি ছিল টাকার ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরে।
📰 বিস্তারিত
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) শেরপুরের পুলিশ সুপার পংকজ দত্তের তথ্য অনুযায়ী, গাজীপুরের টঙ্গী এলাকার শাকিল মিয়ার মেয়ে ঝিনুক আক্তার (২৬)কে ২১ অক্টোবর ঢাকার দক্ষিণখান এলাকায় হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর তার মরদেহ একটি প্লাস্টিকের ড্রামে ভরে শ্রীবরদীর কুড়িকাহনীয়া ব্রিজের নিচে ফেলে রাখা হয়। ২২ অক্টোবর এই ড্রাম থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পিবিআই সূত্রে জানা যায়, ঝিনুক আক্তারের ফুফু শিরিনা আক্তার বাদী হয়ে তার স্বামী মো. সাইফুল ইসলাম মুন্নাসহ চার-পাঁচজনকে আসামি করে শ্রীবরদী থানায় হত্যা মামলা করেন। পিবিআই তদন্তে বেরিয়ে আসে, হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মাহবুবা আক্তার ফাতেমা (৪৪) সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার কুশিয়ারা গ্রামের ফাতেমা, পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার নুর ইসলাম বাবু, জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার সজল এবং শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার নুর মোহাম্মদ গোসা।
তদন্তে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের আগের দিন ঝিনুককে ঢাকার দক্ষিণখান এলাকার আব্দুস সাত্তারের ভাড়া বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে ফাতেমা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঝিনুককে আঘাত করেন এবং অন্য আসামিরা গামছা পেঁচিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন। পরে মরদেহ ড্রামে ভরে শ্রীবরদীর ব্রিজের নিচে ফেলে রাখা হয়। পিবিআইয়ের দাবি, ঘটনাটি ছিল টাকার ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরে এবং এটি একটি 'ক্লুলেস হত্যাকাণ্ড'।
"ঘটনাটি ছিল ক্লুলেস হত্যাকাণ্ড। আর্থিক লেনদেন ও টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (দক্ষিণখান), শ্রীবরদী (শেরপুর), গাজীপুর (টঙ্গী)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ঝিনুক আক্তার (২৬), মাহবুবা আক্তার ফাতেমা (৪৪), পংকজ দত্ত, নুর ইসলাম বাবু, শিরিনা আক্তার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ (ঝিনুক আক্তারের বয়স), ৪৪ (গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বয়স), ২১ ও ২২ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ), ১৬৪ (ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!