📌 ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে ৩০ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে সুন্দরবনের দুবলার চরে শুঁটকি উৎপাদনের মৌসুম। জেলেরা পাঁচ মাসের এই মৌসুমে আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে শুঁটকি তৈরিতে ব্যস্ত থাকবেন। বন বিভাগের প্রত্যাশায় রাজস্ব ৮ কোটি টাকা হতে পারে
৩০ অক্টোবর থেকে সুন্দরবনের দুবলার চরে শুরু হয়েছে শুঁটকি উৎপাদনের মৌসুম। ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে উপকূলীয় জেলেরা মাছ আহরণ ও শুঁটকি তৈরির কাজে আবার ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এই মৌসুমে মোংলা, রামপাল, শরণখোলা, সাতক্ষীরা, বরগুনা ও পাথরঘাটাসহ বিভিন্ন এলাকার হাজারো জেলে বঙ্গোপসাগরসংলগ্ন দুবলার চরে যাত্রা শুরু করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০ অক্টোবর থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত চলবে শুঁটকি মৌসুম
- 📌 মোংলা, রামপাল, শরণখোলা, সাতক্ষীরা, বরগুনা ও পাথরঘাটা জেলের জেলেরা অংশগ্রহণ করছেন
- 📌 আলোরকোল, দুবলা অফিস কেল্লা, নারকেলবাড়িয়া ও শেলার চরে থাকবেন জেলেরা
- 📌 বন বিভাগের অনুমতি ছাড়া কোনো গাছপালা ব্যবহার নিষিদ্ধ
- 📌 এই মৌসুমে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৮ কোটি টাকা
- 📌 জেলেদের নিরাপত্তা ও অবৈধ মাছ আহরণ প্রতিরোধে নজরদারি চলছে
📰 বিস্তারিত
সুন্দরবনের দুবলার চরে শুঁটকি উৎপাদনের মৌসুম শুরু হওয়ার সাথে সাথে জেলেরা মাছ আহরণ ও শুঁটকি তৈরির কাজে নিযুক্ত হয়ে পড়েছেন। মোংলার পশুর নদী হয়ে বঙ্গোপসাগরসংলগ্ন চরে যাত্রা শুরু করেছেন জেলেরা। এই পাঁচ মাসের মৌসুমে (৩০ অক্টোবর থেকে ৩১ মার্চ) জেলেরা আলোরকোল, দুবলা অফিস কেল্লা, নারকেলবাড়িয়া ও শেলার চরে অবস্থান করবেন। সেখানে তারা থাকার ঘর, শুঁটকি সংরক্ষণের ঘর ও মাছ শুকানোর মাচা তৈরি করবেন।
বন বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, এই স্থাপনা নির্মাণে কোনো গাছপালা ব্যবহার করা যাবে না। জেলেরা জানিয়েছেন, এই পাঁচ মাসের মৌসুমের আয় তাদের পরিবারের সারা বছরের খরচ মেটাতে সাহায্য করে। তবে বনদস্যুর আতঙ্কসহ নানা ঝুঁকি মাথায় রেখে তারা কাজে যাচ্ছেন। জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে শুঁটকি খাত থেকে ৮ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে গত বছরের তুলনায় রাজস্ব আয় বাড়তে পারে। জেলেদের নিরাপত্তা এবং অবৈধভাবে মাছ আহরণ প্রতিরোধে নজরদারি রয়েছে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ। বনদস্যুদের তৎপরতা ঠেকানোর পাশাপাশি সাগরে বিষ প্রয়োগসহ অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে বনরক্ষী, এসআরবি ও কোস্ট গার্ড কাজ করছে।
"প্রায় পাঁচ মাসের এই মৌসুমের আয় দিয়ে আমাদের পরিবারের সারা বছরের খরচ মেটাতে হয়। তাই বনদস্যুর আতঙ্কসহ নানা ঝুঁকি মাথায় নিয়েই মাছ আহরণ ও শুঁটকি তৈরির কাজে যাচ্ছি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুন্দরবনের দুবলার চর (আলোরকোল, দুবলা অফিস কেল্লা, নারকেলবাড়িয়া, শেলার চর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোংলা, রামপাল, শরণখোলা, সাতক্ষীরা, বরগুনা ও পাথরঘাটা জেলের জেলেরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, ৩০ অক্টোবর থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত মৌসুম, ৮ কোটি টাকা রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!