📌 মেদিনীপুরে সাপ উদ্ধার করতে গিয়ে বিষধর সাপের ছোবলে মৃত্যু হলেন সর্পবিশারদ তপন সিংহের। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এল শোকের ছায়া। ঘটনার সময় উপস্থিত মানুষজনকে তিনি সাপ সম্পর্কে সচেতন করার চেষ্টা করছিলেন।
মেদিনীপুর সদর ব্লকের ধেড়ুয়া এলাকার বাসিন্দা তপন সিংহ (৫৪) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বিষধর সাপের ছোবলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাপ উদ্ধার ও সাধারণ মানুষকে সাপ সম্পর্কে সচেতন করার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। ঘটনাটি ঘটেছে সদর ব্লকের কুকুরমুড়ি এলাকায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৃত ব্যক্তির নাম তপন সিংহ (৫৪), পেশায় গাড়িচালক হলেও সাপ উদ্ধার ও সচেতনতা বৃদ্ধির কাজ করতেন
- 📌 ঘটনাস্থল: মেদিনীপুর সদর ব্লকের কুকুরমুড়ি এলাকা
- 📌 সোমবার সন্ধ্যায় একটি বাড়িতে সাপ ঢোকার খবর পেয়ে সেখানে যান তপন
- 📌 সাপ ধরার সময় বিষধর সাপটি তাঁর আঙুলে কামড়ে ধরলে তিনি সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন
- 📌 সাপে কামড়ানোর ৩৫ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে হাসপাতালে পৌঁছলেও চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন
📰 বিস্তারিত
তপন সিংহ দীর্ঘদিন ধরে সাপ উদ্ধার ও সাধারণ মানুষকে সাপ সম্পর্কে সচেতন করার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। তাঁর মৃত্যু ঘটেছে মেদিনীপুর সদর ব্লকের কুকুরমুড়ি এলাকায়। সোমবার সন্ধ্যায় একটি বাড়িতে সাপ ঢোকার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান তিনি। প্রথমে একটি সাপ উদ্ধার করেন তপন। কিছুক্ষণ পর একই এলাকায় আরও একটি সাপ বের হলে তিনি সেটি ধরতে যান। সাপটি আকারে বেশ বড় ছিল বলে জানা গেছে।
ক্যাচারের সাহায্যে সাপটি ধরার পর কৌটোয় ঢোকানোর সময় আচমকা সেটি তপনের আঙুলে কামড়ে ধরে। বেশ কিছুক্ষণ আঙুল চেপে ধরে রাখায় সাপটিকে ছাড়াতেও বেগ পেতে হয় তাঁকে। এরপরও সাপটিকে কৌটোয় বন্দি করে নিজের গাড়িতে পরিচিত কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দেন তপন। পথে তিনি সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন।
সাপে কামড়ানোর প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে হাসপাতালে পৌঁছলেও চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সময় উপস্থিত কয়েকজন সাপ উদ্ধারের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করছিলেন। সেই ভিডিওতে সাপের কামড়ের ঘটনাটিও ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।
"বর্ষাকালে সাপের উপদ্রব বেশি দেখা যায়। সাপ না মেরে বন দপ্তর বা অভিজ্ঞ উদ্ধারকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করুন। নিজে সাপ ধরতে যাবেন না।" — তপন সিংহ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মেদিনীপুর সদর ব্লকের কুকুরমুড়ি এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তপন সিংহ (৫৪)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ থেকে ৪০ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!