📌 চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কদমরসুল কাঁচাবাজারে অগ্নিকাণ্ডে ৪০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা কোটি টাকার ক্ষতির দাবি করলেও ফায়ার সার্ভিসের হিসাব অনুযায়ী ক্ষয়ক্ষতি অর্ধকোটি টাকা। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে আগুনের সূত্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার কদমরসুল কাঁচাবাজারে আজ বুধবার সকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসের সূত্রে জানা যায়, শামসুদ্দিনের মালিকানাধীন লেপ-তোষকের দোকানে হঠাৎ আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পার্শ্ববর্তী দোকানগুলিতে ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে মুদি, হার্ডওয়্যার, সেলুন, ফার্নিচার, ফার্মেসি ও চায়ের দোকানসহ মোট ৪০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ভাটিয়ারী ইউনিয়নের কদমরসুল কাঁচাবাজারে অগ্নিকাণ্ডে ৪০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়
- 📌 ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি: কোটি টাকার ক্ষতি, ফায়ার সার্ভিসের হিসাব: অর্ধকোটি টাকা
- 📌 বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে আগুনের সূত্রপাতের সম্ভাবনা
- 📌 আগুন নেভাতে তিন ঘণ্টা সময় লেগে যায়, স্থানীয়দের সহযোগিতায় কাজ চালানো হয়
- 📌 ফার্নিচার ব্যবসায়ী মো. শাহ আলমের বিয়ের ফার্নিচারের অর্ডার পুড়ে যায়
📰 বিস্তারিত
সীতাকুণ্ডের কদমরসুল কাঁচাবাজারে আজ সকালে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, শামসুদ্দিনের মালিকানাধীন লেপ-তোষকের দোকানে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন পার্শ্ববর্তী মো. শাহ আলমের ফার্নিচারের দোকানসহ আশপাশের ৩৯টি দোকানেও ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। টানা তিন ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও ৪০টি দোকান ও সেখানে রাখা মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ফার্নিচার ব্যবসায়ী মো. শাহ আলম বলেন, ‘আমার দোকানে তিনটি বিয়ের ফার্নিচারের অর্ডার ছিল। টানা কয়েক সপ্তাহ কাজ করে সেগুলো তৈরি করা হয়েছিল। রং করে আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যেই সরবরাহ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মুহূর্তের আগুনে সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এখন এতগুলো ফার্নিচারের ক্ষতিপূরণ কীভাবে দেব আর কীভাবে তাদের টাকা ফেরত দেব?’
কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, ‘অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। টানা তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নেভাতে সক্ষম হলেও ৪০টি দোকানঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুনে অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও জানান তিনি।’
"দোকানে তিনটি বিয়ের ফার্নিচারের অর্ডার ছিল। টানা কয়েক সপ্তাহ কাজ করে সেগুলো তৈরি করা হয়েছিল। রং করে আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যেই সরবরাহ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মুহূর্তের আগুনে সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, সীতাকুণ্ড উপজেলা, কদমরসুল কাঁচাবাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শাহ আলম, আবদুল্লাহ আল মামুন (কুমিরা ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০টি দোকান পুড়ে ছাই, অর্ধকোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি (ফায়ার সার্ভিসের হিসাব)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!